স্পোর্টস ডেস্ক | ০৬ মার্চ, ২০২৩
ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট নেওয়া বোলারের সংখ্যা হাতেগোনা। সংখ্যায় যা মাত্র ১৪। এরমধ্যে বাংলাদেশের একজন। তিনি সাকিব আল হাসান।
চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সাকিব আল হাসান দুর্দান্ত এ রেকর্ডে নিজের নাম লেখালেন।
২৯৬ উইকেট নিয়ে শেষ ওয়ানডেটি খেলতে নেমেছিলেন সাকিব। ব্যাট হাতে ৭১ বলে ৭৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়ার মতো রান এনে দেন তিনি। এরপর বল হাতেও দলকে এগিয়ে নেন জয়ের পথে। ১০ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে তার শিকার ৪ উইকেট।
বাঁহাতি স্পিনে সনাথ জয়াসুরিয়া ও ড্যানিয়েল ভেটোরির পর সাকিব আল হাসান হলেন এই তালিকার তৃতীয় বাঁহাতি স্পিনার। তবে এই তিনজনের মধ্যে দ্রুততম সাকিবই।
বাংলাদেশের করা ২৪৬ রানের জবাবে ইনিংসের নবম ওভারে ফিল সল্টকে দিয়ে উইকেট শিকার শুরু করেন সাকিব। তার পরের ওভারে জোরের ওপর করা আন্ডার কাটারে বোল্ড হন আগর ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান জেসন রয়। ২৭তম ওভারে জেমস ভিন্সকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বিদায় করেন সাকিব। শেষ স্পেলে ৪১তম ওভারে ফিরে দ্বিতীয় বলে রেহানকে ফিরিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
ওয়ানডে ক্রিকেটে সাকিবের প্রথম শিকার ছিলেন এল্টন চিগুম্বুরা। ২০০৬ সালে নিজের অভিষেক ম্যাচে জিম্বাবুয়ের অলরাউন্ডারকে বোল্ড করেছিলেন সাকিব। প্রায় ১৭ বছর পর ২২৭তম ওয়ানডেতে ৩০০তম উইকেটের দেখা পেলেন তিনি।
২২৭ ম্যাচে এই মাইলফলক অর্জন করলেন তিনি। ২৯১ ম্যাচে ৩০০ ছুঁয়ে বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে আগের দ্রুততম ছিলেন ভেটোরি।
৬ হাজার রান পেরিয়ে গেছেন সাকিব বেশ আগে থেকেই। এবার তার পূর্ণ হলো দুর্দান্ত এক ডাবল। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে ৬ হাজার রান ও ৩০০ উইকেটের কীর্তি আছে আর কেবল সনাথ জয়াসুরিয়া ও শহিদ আফ্রিদির। তাদের দুজনের চেয়ে অনেক কম ম্যাচ খেলেই এ কীর্তি গড়লেন সাকিব। অনেক আগেই ৬ হাজার রান করে ফেলা জয়াসুরিয়ার ৩০০ উইকেট নিতে লেগেছিল ৩৯৭ ম্যাচ। আফ্রিদি এই ক্লাবে জয়াসুরিয়ার সঙ্গী হন ৩১৪ ম্যাচ খেলে।
একই ম্যাচে ফিফটি ও ৪ উইকেটের অলরাউন্ড কীর্তিতেও এখন ওয়ানডে ইতিহাসের সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন সাকিব। ৪ বার এমন নৈপুণ্য দেখিয়ে পেরিয়ে গেলেন তিনি আফ্রিদিকে (৩ বার)।