সিলেটটুডে স্পোর্টস ডেস্ক | ১০ জানুয়ারী, ২০১৬
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিতীয় দ্রুততম অর্ধশতকের কীর্তি গড়েছেন কলিন মানরো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৪ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যান!
২০০৭ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২ বলে অর্ধশতক করেছিলেন যুবরাজ সিং। ডারবানের সেই ইনিংসে স্টুয়ার্ট ব্রডকে মেরেছিলেন ওভারে ছয়টি ছক্কা। টি-টোয়েন্টিতে তো বটেই, তিন সংস্করণ মিলিয়েই দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড সেটি।
রেকর্ডটি টিকে আছে এখনও। বরং ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা রেকর্ডগুলোরই একটি মানা হয় এটিকে। তবে রোববার মানরো দেখিয়ে দিলেন, এই রেকর্ড ভাঙাও খুব অসম্ভব নয়। তিনি তো খুব কাছেই গিয়েছিলেন!
অকল্যান্ডে ১৪৩ রান তাড়ায় প্রথমে একটি রেকর্ড গড়েছিলেন মার্টিন গাপটিল। ১৯ বলে অর্ধশতক করে গড়েছিলেন টি-টোয়েন্টিতে নিউ জিল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যানের দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড। গাপটিলের রেকর্ডটি পরে হয়ত গড়ে ফেলল সবচেয়ে ক্ষণস্থায়ী রেকর্ডের রেকর্ডও! মিনিট বিশেক পরেই ১৪ বলে অর্ধশতক করলেন মানরো।
উইকেটে গিয়ে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা মেরে শুরু করেন মানরো। পরের ওভারে লেগ স্পিনার জেফ্রি ভ্যান্ডারসেকে মারেন টানা তিন ছক্কা। পরে ইসুরু উদানাকে একটি এ চামিরা দুশমন্থকে দুটি ছক্কায় ম্যাচ শেষ করে দেন ২৮ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। ৭ ছক্কা ও ১ চারে ১৪ বলে অপরাজিত ৫০!
যুবরাজের রেকর্ড গড়া ইনিংসেও ১৬ বলে ৫৮ রানের পথে ছিল ৭টি ছক্কা।
আন্তজাতিক ও স্বীকৃত ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে যুবরাজের সেই রেকর্ডের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিলেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের ফ্রেন্ডস প্রভিডেন্ট টি-টোয়েন্টিতে সমারসেটের হয়ে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে বাঁহাতি ওপেনার ফিফটি করেছিলেন ১৩ বলে।
রোববার মানরো-গাপটিলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৯ উইকেট হারিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। সিরিজ জিতেছে ২-০ ব্যবধানে।