স্পোর্টস ডেস্ক | ০৭ জুলাই, ২০২৪
ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে গোল খেয়ে মিনিট পাঁচেক বাদেই সেই গোল শোধ করে বসে ইংল্যান্ড। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ সমতায়। অতিরিক্ত সময়েও স্কোরলাইন থাকে একই। ফলে সেমিফাইনালের দল নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে।
আর এই টাইব্রেকারে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড।
নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ ১-১ গোলের সমতা শেষে টাইব্রেকারে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় ৫–৩ ব্যবধানে।
১২০ মিনিটের খেলায় ১–১ সমতা থাকা ম্যাচটিতে ইংল্যান্ডের শেষের নায়ক জর্ডান পিকপোর্ড। টাইব্রেকারে আলেক্সান্ডার–আর্নল্ডসহ ইংল্যান্ডের সবাই বল জালে জড়ালেও সুইজারল্যান্ডের মানুয়েল আকাঞ্জির শট আটকে দেন ইংলিশ গোলকিপার। এই সেভই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য।
ম্যাচের শেষমুহূর্তে হাসলেও এর আগের বেশির ভাগ সময়ই চাপে ছিল ইংলিশরা। আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র হ্যারি কেইন কোনো প্রভাবই রাখতে পারেননি। একটা পর্যায়ে ইংলিশ গ্যালারি থেকে তাকে উঠিয়ে নেওয়ার স্লোগানও শুরু হয়ে যায়। কেইনের তুলনায় জুড বেলিংহাম ভালো খেলেছেন বটে, কিন্তু প্রত্যাশিত মানে ছিলেন না।
পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডকে বারবার যা আশান্বিত করার, সেটি করেছেন বুকায়ো সাকা। বেশ কয়েকবারই বল নিয়ে সুইজারল্যান্ড রক্ষণে হুমকি তৈরি করেন এই আর্সেনাল ফরোয়ার্ড।
ম্যাচে প্রথম গোল সুইজারল্যান্ডই করেছে। ৭৫ মিনিটে রুবেন ভারগাস বক্সের এক পাশ থেকে গোলমুখে যে বলটি বাড়ান, সেটি রুখে দেওয়ার সুযোগ ছিল জন স্টোনসের। কিন্তু ইংলিশ সেন্টারব্যাক সেটিতে পা–টাই ছোঁয়াতে পেরেছেন, বলের গতিপথ বদলাতে পারেননি। গোলমুখে থাকা ব্রিল এমবোলো সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়ান।
গোল হজমের দ্রুত কোল পালমার, এবেরেচি এজে ও লুক শকে বদলি হিসেবে নামান ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। সেটির সুফল আসে পাঁচ মিনিটের মধ্যে। ডান পাশ থেকে আর্সেনাল সতীর্থ ডেকলাইন রাইসের বাড়ানো বল ধরে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান সাকা।
সেমিফাইনালে গতবারের ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।