স্পোর্টস ডেস্ক | ০৩ জুলাই, ২০২৬
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি বয়সী আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার উপলক্ষ গোল করে রাঙালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই সঙ্গে পিছিয়ে পড়া দলকে ফেরালেন পথে। রোনালদোর সেই পথ ধরে গনসালো রামোসের জয়সূচক গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল।
কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ এখন স্পেন। আগামী ৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে এ ম্যাচ।
টরন্টোয় বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকালে শেষ বত্রিশের ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে গোলটি করেন রোনালদো।
এদিন পর্তুগাল অধিনায়কের বয়স ৪১ বছর ১৪৭ দিন। তার চেয়ে বেশি বয়সে ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে আর কেউ খেলেনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতাও হলেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে শেষ বত্রিশে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৪০ বছর ১০৬ দিন বয়সে মাঠে নেমে প্রতিযোগিতাটির নকআউট ম্যাচে খেলা ৪০ বা এর বেশি বছর বয়সী প্রথম আউটফিল্ড খেলোয়াড় হন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার এদিন জেকো। তার রেকর্ড ভেঙে দিলেন রোনালদো।
বিশ্বকাপের নকআউটে ৪০ বছরের বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের তালিকায় এদিন যোগ হয়েছেন ক্রোয়েশিয়া অধিনায়ক লুকা মদ্রিচও। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ৪১তম জন্মদিন পালন করবেন তিনি।
প্রথমার্ধে আক্রমণে আধিপত্য করেও জালের দেখা পায়নি পর্তুগাল। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়াটরা। এরপর ১৫ মিনিট পরই সমতা টানেন রোনালদো।
কর্নারের সময় ক্রোয়েশিয়ার নিকোলা ভ্লাসিচ বক্সে খেনাতো ভাইগাকে টেনে ফেলে দিলে, ভিএআর পর্যালোচনায় মনিটরে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। সোজাসুজি স্পট কিকে গোলটি করেন রোনালদো। আগেই ডানদিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৬১তম মিনিটেও একবার কান্সেলোর ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে বল জালে পাঠান রোনালদো; কিন্তু কিঞ্চিৎ ব্যবধানে তিনি নিজেই অফসাইডে থাকায় মেলেনি গোল। পরে পর্তুগালের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন রামোস।
এবার গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুটি গোল করেছিলেন রোনালদো। এক ম্যাচ পর আবার পেলেন জালের দেখা। তবে এই গোলটি আরেকটি জায়গায় তার ক্যারিয়ারে বিশেষ জায়গা পাবে। বিশ্বকাপে তার আগের ১০টি গোলের সবগুলোই ছিল গ্রুপপর্বে। সেই শূন্যতা এবার কাটল।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার মোট গোল হলো ১৪৬টি, ২৩২ ম্যাচে।