সিলেটটুডে স্পোর্টস ডেস্ক | ২০ মার্চ, ২০১৫
পুরো ক্রিকেটবিশ্ব যখন দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ার আলিমদার ও ইয়ান গৌল্ডের সমালোচনামুখর তখন উল্টোপথে হাঁটলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড রিচার্ডসন। তিনি সমর্থন জানালেন আম্পায়াদের।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড রিচার্ডসন শনিবার একটি বিবৃতির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। এই প্রতিক্রিয়ায় তিনি ক্রিকেট খেলার 'স্পিরিট'-এর প্রসঙ্গ তোলেন।
"'নো' বলের সিদ্ধান্তটি পঞ্চাশ-পঞ্চাশ ছিল। খেলাটির 'স্পিরিট' বলে, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং এটাকে অবশ্যই সমীহ করতে হবে।"
আম্পায়ারা বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে নেমেছিল বলে যে অভিযোগ ওঠে, বিবৃতিতে সেটা উড়িয়ে দেন রিচার্ডসন। ২০১৫ বিশ্বকাপকে রোমাঞ্চকর উল্লেখ করে তিনি এর শেষ ভাগটা উপভোগ করার আহবান জানান সবাইকে।
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আম্পায়ারিং নিয়ে আইসিসির সভাপতি এবং বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আ হ ম মোস্তফা কামালের করা মন্তব্যকে দু:খজনক বলে আখ্যা দেওয়া হয় বিবৃতিতে।
"আইসিসি মোস্তফা কামালের মন্তব্য লক্ষ্য করেছে, যেটা খুবই দুঃখজনক। কিন্তু এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত। সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে আইসিসির ম্যাচ কর্মকর্তাদের (আম্পায়ার) সমালোচনা করায় তার আরও সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিল। তাদের (আম্পায়ারদের) সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না।"
১৯ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ভারতের কাছে ১০৯ রানে হারে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতের ইনিংসের ৪০তম ওভারে বিতর্কিত সিদ্ধান্তটি দেন আম্পায়ার আলিম দার ও ইয়ান গৌল্ড।
ওভারের চতুর্থ বলটি ফুলটস দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন। বলটিতে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ইমরুল কায়েসের কাছে ক্যাচ দেন ভারতের রোহিত শর্মা। তবে বলটি কোমরের ওপরে ছিল দাবি করে লেগ আম্পায়ার পাকিস্তানের দার বোলিং প্রান্তে থাকা ইংল্যান্ডের আম্পায়ার গৌল্ডকে 'নো' বলের সঙ্কেত দেন। গৌল্ড তখন 'নো' ডাকলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
টিভি রিপ্লে দেখে মনে হয়েছে, বলটি কোমরের ওপরে ছিল না। তখন ধারাভাষ্য দিতে থাকা শেন ওয়ার্নও বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। আম্পায়ারদের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে ক্রিকেট পণ্ডিতদের অনেকেই সমালোচনা করেন। ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা।