সিলেটটুডে স্পোর্টস ডেস্ক | ২১ মার্চ, ২০১৫
সাম্প্রতিক অতীত খুঁজে দেখলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে পাকিস্তানি আম্পায়ার আলিম দারের মাঠে থাকা প্রায় অবধারিতই ছিল। কিন্তু এবার আইসিসি তাকে গুরুত্বপূর্ণ তিন ম্যাচের আম্পায়ার প্যানেল থেকে সরিয়ে নিয়েছে।
কারণটা কী বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার বিতর্কিত আম্পায়ারিং? আইসিসি এমন স্বীকারোক্তি দেবে না, দেয় নি কিন্তু তাকে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ দেয়নি।
২০০৭ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আম্পায়ারিং করেছিলেন আলিম দার। এমনকি অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা ফাইনালেও।
আম্পায়ার ছিলেন ২০১১ বিশ্বকাপের শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ডের প্রথম সেমিফাইনালেও। অতঃপর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ভারত-শ্রীলঙ্কা ফাইনালে।
বর্তমান আম্পায়ারদের মধ্যে শীর্ষে থাকা আলিম দারের এবার ছন্দপতনই হচ্ছে। চলতি বিশ্বকাপের আইসিসি ঘোষিত দুই সেমিফাইনালের ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকায় নেই তার নাম।
২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিং শুরু। ২০০৯, ২০১০, ২০১১—টানা তিন বছর হয়েছেন আইসিসির বর্ষসেরা আম্পায়ার। এ কারণে, আইসিসির যে কোনো টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে আলিম দার যেন এক নিয়মিত নাম।
অবশ্য বাংলাদেশ-ভারত কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর বিতর্কিত সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় ক্রিকেট দুনিয়ায়। তবে কি সেটির প্রভাব পড়ল এ ক্ষেত্রে? এ ব্যাপারে এখনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
আইসিসি আলিমদারকে মাঠে না রাখলেও মাঠে রেখেছে আরেক বিতর্কিত আম্পায়ার ইয়ান গৌল্ডকে যিনি আম্পায়ারিং করবেন নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সেমিফাইনালে।
তবে কী একই সঙ্গে দুই আম্পায়ারকে সেমিফাইনাল আর ফাইনালে বাদ দিলে বাংলাদেশের অভিযোগকে আইসিসির স্বীকার করা হয়ে যায় এই আশঙ্কায় মাঠে রেখেছে ইয়ান গৌল্ডকে?
তথ্যসূত্র: আইসিসি-ক্রিকেটডটকম।