স্পোর্টস ডেস্ক | ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
চেষ্টা করেছিলেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। কিন্তু বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি তারা। হার দিয়ে শুরু হলো নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ৩৪১ রানের পাহাড় গড়ে কেন উইলিয়ামসনের দল। এতো বড় রান তাড়া করে কখনো জেতেনি টাইগাররা। এবারও পারলো না। ৭৭ রানে হেরে গেছে মাশরাফির দল।
সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) ক্রাইস্টচার্চে টস হেরে বোলিংয়ের শুরুটা ভালো হলেও শেষটা ধরে রাখতে পারেনি টাইগার বোলাররা। টম লাথামের দারুন ১৩৭ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৪১ রান করে নিউ জিল্যান্ড। জবাবে ৪৪.৫ ওভারে ২৬৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
জয়ের জন্য ৩৪২ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল-ইমরুল কায়েসের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩৪ রান। ইমরুল কায়েস (১৬) টিম সাউদির শিকার হলে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট। এরপরই সৌম্য সরকার আউট হয়ে যান মাত্র ১ রান করে। ব্যর্থ হন মাহমুদউল্লাহ (০)।
১ উইকেট ৩৪ থেকে দেখতে না দেখতে ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেই টাইগারদের! এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৩৭ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন তামিম। কিন্তু তামিমও বেশিক্ষণ থাকতে পারলেন না। জেমস নিশামের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে তৃতীয় স্লিপে স্ন্যাটনার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন তামিম।
পঞ্চম উইকেটে মুশফিক-সাকিবের ৫৭ বলে ৬৩ রানের জুটি কিছুটা স্বপ্ন দেখিয়েছিলো বাংলাদেশকে। সাকিব তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৩২তম ওয়ানডে হাফ সেঞ্চুরি। এরপরই দলীয় ১৪৪ রানে ফারগুসনের বলে তুলে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে সাউদির হাতে ধরা পড়েন ৫৪ বলে ৫৯ রান করা সাকিব। সাব্বিরও থার্ড ম্যানে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে যান দ্রুতই।
তবে একপ্রান্তে আগলে ছিলেন মুশফিক। সপ্তম উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে তাঁর জুটিটা জমে উঠেছিলো। কিন্তু ৩৮.৫ ওভারে পায়ের মাংস পেশীতে চোট পেয়ে আর ব্যাট করতে পারলেন মুশি। ৪২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে তিনি ফিরে যান সাজঘেরে। পরে আর ব্যাটিংয়ে নামা হয়নি তার।
শেষ পর্যন্ত একাই লড়ে গেছেন মোসাদ্দেক। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসাবে যখন আউট হন মোস্তাফিজ (০), তখন বাংলাদেশের স্কোর ৯ উইকেটে ২৬৪ রান। মোসাদ্দেক তখন অপরাজিত ৫০।
নিউ জিল্যান্ডের হয়ে জেমস নিশাম ও ফারগুসন তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া টিম সাউদি ২টি ও স্ন্যাটার নিয়েছেন ১টি উইকেট।