স্পোর্টস ডেস্ক | ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
চট্টগ্রাম টেস্টে দল হারলেও বড় অর্জন হয়েছে সাব্বির রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের। তাদের পারফরম্যান্সে বড় ধরনের উন্নতি ঘটেছে ব্যক্তিগত র্যাঙ্কিংয়ে।
প্রথম ইনিংসে ৬৬ রান করেছিলেন সাব্বির, দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ২৪ রান। এর সুবাদে আইসিসি টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে ২২ ধাপ উঠে এসেছেন তিনি। তার বর্তমান অবস্থান এখন ৭৩ নম্বরে।
মোস্তাফিজেরও উন্নতি হয়েছে তার বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে। তিনি প্রথম ইনিংসে চার ও দ্বিতীয় ইনিংসে একটি উইকেট দখল করেছিলেন। তার এই আগুন ঝরানো বোলিংয়ে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে ১২ ধাপ। তিনি আছেন ৪৩ নম্বরে।
এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ একধাপ এগিয়ে ২৯ নম্বরে, মুশফিকুর রহিম একধাপ এগিয়ে ২২তম স্থানে আছেন।
অন্যদিকে তামিম ইকবাল দুই ধাপ নেমে ১৬ নম্বরে, সাকিব আল হাসান একধাপ নেমে ১৮ নম্বরে অবস্থান করছেন। অবশ্য বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ নেমে সাকিব এখন সতেরোয়।
অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ পয়েন্ট কমলেও এখনো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন সাকিব। মিরপুর টেস্টের পর ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৪৮৯ রেটিং পয়েন্ট পেয়েছিলেন সাকিব। সেটি কমে এখন হয়েছে ৪৫৬। দুইয়ে থাকা রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ব্যবধান ২৬ পয়েন্ট।
এবারের র্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে বড় অর্জন ন্যাথান লায়নের। চট্টগ্রামে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৩ উইকেট নিয়ে এগিয়েছেন ৯ ধাপ। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত জায়গা পেয়েছেন বোলারদের সেরা দশে।
ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে লায়ন উঠেছেন ৮ নম্বরে। তার আগের সেরা ছিল ১২তম। রেটিং পয়েন্টেও ছাড়িয়ে গেছেন নিজেকে। এখন তার অর্জন ৭৫২ পয়েন্ট, আগের সর্বোচ্চ ছিল ৬৯৬।
চট্টগ্রামে সেঞ্চুরি করে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ডেভিড ওয়ার্নার উঠেছেন পাঁচে। ১৫ ধাপ এগিয়ে চব্বিশে উঠেছেন প্রথম ইনিংসে ৮২ রান করা পিটার হ্যান্ডসকম।
সিরিজ ড্র করে দলীয় র্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়া হারিয়েছে ৩ পয়েন্ট। নেমেছে তারা পাঁচ নম্বরে। চট্টগ্রামে হারলে ২৯ বছরের মধ্যে প্রথমবার নামতে হতো ছয়ে, সেটি তারা অন্তত এড়াতে পেরেছে।
ড্র করে বাংলাদেশের অর্জন ৫ পয়েন্ট। অবস্থান আগের মতোই ৯ নম্বরে। তবে আটে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ব্যবধান এখন মাত্র ১ পয়েন্ট।