স্পোর্টস ডেস্ক | ২৮ জুন, ২০১৮
পাওলিনহো ও থিয়াগো সিলভার গোলে গ্রুপের শেষ ম্যাচে সার্বিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল। এই জয়ে ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ ষোলোয় উঠেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ড্র করলেই শেষ ষোলো নিশ্চিত- এমন সমীকরণে মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে সার্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। অন্যদিকে সার্বিয়ার জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না।
এদিন আগের ম্যাচের একাদশ থেকে কোনো পরিবর্তন আনেননি ব্রাজিল কোচ তিতে। কিন্তু ম্যাচের দশ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ব্রাজিল। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার মার্সেলো। তার জায়গায় এবারের আসরে প্রথমবারের মতো মাঠে নামেন ফিলিপে লুইস।
চোটের কারণে ব্রাজিল আগেই হারায় দানিলো ও দিয়েগো কস্তাকে। ব্রাজিলের গুছিতে উঠতে তাই একটু সময় লেগেছে।
জেসুস, নেইমারের কারিকরিতে ২৫তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম ভালো সুযোগ পায় ব্রাজিল। ডি-বক্স থেকে পিএসজি ফরোয়ার্ডের শট হাত বাড়িয়ে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক ভ্লাদিমির স্তয়কোভিচ।
৩৬তম মিনিটে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন পাওলিনিয়ো। মাঝমাঠ থেকে বার্সেলোনা সতীর্থ ফিলিপে কৌতিনিয়োর বাড়ানো বল প্রথম স্পর্শেই আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান এই মিডফিল্ডার।
শুরু থেকে রক্ষণে মনোযোগ দেওয়া সার্বিয়া পিছিয়ে পড়ার পর একটু আক্রমণাত্মক খেলে। তবে ব্রাজিলের জমাটরক্ষণ ভেঙে আলিসনের পরীক্ষা নিতে পারেনি একবারের জন্যও। প্রথমার্ধে ম্লাদেন ক্রাস্তাইচের শিষ্যরা লক্ষ্যে রাখতে পারেনি কোনো শট।
৫৬তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ এসে যায় নেইমারের সামনে। কৌতিনিয়োর বাড়ানো বল যখন তাকে খুঁজে সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক। নেইমারের শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন স্তয়কোভিচ।
পরের কয়েক মিনিট ব্রাজিলের রক্ষণকে ভীষণ চাপে রাখে সার্বিয়া। ৬১তম মিনিটে একটি ক্রস ঠিকমতো পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করতে পারেননি, বল পেয়ে যান আলেকসান্দার মিত্রোভিচ। এই ফরোয়ার্ডের হেড চিয়গো সিলভার হাঁটুতে লেগে ফিরে।
চার মিনিট পর আবার সুযোগ আসে মিত্রোভিচের সামনে। তবে আলিসন বরাবর হেড করে দলকে হতাশ করেন এই ফরোয়ার্ড।
৬৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন চিয়াগো সিলভা। পিএসজি সতীর্থ নেইমারের কর্নারে লাফিয়ে হেডে বল জালে পাঠান এই ডিফেন্ডার।
৮৬তম মিনিটে গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বাড়েনি ব্যবধান। সার্বিয়ার এক খেলোয়াড়ের পায়ে লাগার পর বল পেয়ে যান নেইমার। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে তুলে দিয়েছিলেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
কিন্তু হাত বাড়িয়ে কোনোরকমে বলের নাগাল পেয়ে যান স্তয়কোভিচ। আরেকবার অল্পের জন্য গোল থেকে বঞ্চিত হন নেইমার।