Sylhet Today 24 PRINT

মুশফিক-মিঠুনের ব্যাটে বাংলাদেশের ২৩৯

স্পোর্টস ডেস্ক |  ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাংলাদেশকে উদ্ধার করলেও আক্ষেপ থেকে গেল মুশফিকুর রহিমের। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হলো না তার। সপ্তম সেঞ্চুরি থেকে হাতছোঁয়া দূরত্বে বিদায় নিলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই করার মতো স্কোর এনে দিয়েছেন তিনি। এশিয়া কাপ ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের ২৪০ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ।  

বুধবার আবুধাবিতে টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ, সাকিব আল হাসানকে ছাড়াই। নাজমুল হোসেন শান্ত নির্বাচকদের আস্থা রাখতে না পারায় বাদ পড়েন। তার জায়গায় ওপেনিংয়ে নেমে হতাশ করেন সৌম্য সরকারও। মাত্র ৫ বল খেলে রানের খাতা না খুলে তৃতীয় ওভারে বিদায় নেন জুনাইদ খানের বলে ফখর জামানকে ক্যাচ দিয়ে।

তারপর বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। ১২ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট হারায় তারা। সাকিবের বদলি হয়ে নামা মুমিনুল হক একটি বাউন্ডারি মারার পরের বলে শাহীন শাহ আফ্রিদির কাছে বোল্ড হন। মাত্র ৫ রান করেন তিনি। পরের ওভারে জুনাইদ উড়িয়ে দেন লিটন দাসের অফস্টাম্প। ১৬ বলে ৬ রান করেন এই ওপেনার।

পাকিস্তানি পেসাররা যখন বাংলাদেশকে কাঁপিয়ে দিচ্ছিল, ঠিক তখন দাঁড়িয়ে যান মুশফিক ও মোহাম্মদ মিঠুন। দুই ব্যাটসম্যান যেমন করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলকে উদ্ধার করেছিলেন, তেমন করে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও উইকেট আগলে রাখলেন। লঙ্কানদের বিপক্ষে ১২৮ রানের জুটি গড়া মুশফিক-মিঠুন দেড়শ ছোঁয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। কিন্তু সেটা হতে দেননি হাসান আলী।

৬৬ বলে টুর্নামেন্ট ও ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি করা মিঠুন ৬০ রানে পাকিস্তানি পেসারকে ফিরতি ক্যাচ দেন। তার আগেই অবশ্য ৩০তম হাফসেঞ্চুরি করেন মুশফিক ৬৮ বল খেলে। মিঠুন তাকে ছেড়ে গেলেও ইমরুল কায়েস ও মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে দেখেশুনে এগোতে থাকেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

যদিও ছয় নম্বরে নেমে আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি করতে পারেননি ইমরুল। ৯ রানে শাদাব খানের বলে এলবিডাব্লিউ হন তিনি। মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে বড় জুটির আভাস দিয়েছিলেন মুশফিক, হাতছানি দিচ্ছিল সেঞ্চুরি। ৪২তম ওভারে ডাইভ দিয়েও সরফরাজ আহমেদ তার চার ঠেকাতে পারেননি, তাতে ৯৯ রান হয়ে যায় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের। কিন্তু দুই বল পরই ১ রান না হওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ১১৬ বলে ৯ চারে সাজানো ছিল তার এই ইনিংস। ওয়ানডেতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৯৯ রানে আউট হলেন মুশফিক।

তার বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজ ২৪ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে। জুনাইদের বলে বদলি ফিল্ডার শান মাসুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। মিরাজের ব্যাটে আসে ১২ রান। পাকিস্তানি পেসার তার পরের ওভারে মাহমুদউল্লাহকে বোল্ড করেন। ৩১ বলে ২৫ রান করে জুনাইদের চতুর্থ শিকার হন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।

৪৯তম ওভারের চতুর্থ বলে রুবেল হোসেন (১) রান আউট হন। পরের বলে মাশরাফি জোরে ব্যাট চালালে হাসানের শিকার হন। ১৪ রানে ফখরের ক্যাচ হন বাংলাদেশি অধিনায়ক। ৪৮.৫ ওভারে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৩৯ রানে।

জুনাইদ ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার। দুটি করে নেন শাহীন ও হাসান।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.