স্পোর্টস ডস্ক | ৩০ জুলাই, ২০১৯
জাতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে গেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। সেখানে তার দলের পারফরম্যান্স যাচ্ছেতাই! তিন ম্যাচ সিরিজের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে লঙ্কানরা। এতে টানা ৪৪ মাস পর ঘরের মাটিতে সিরিজ জিতলো তারা। একইসঙ্গে বাংলাদেশ দল এখন লঙ্কাওয়াশের শঙ্কায়।
আর এমন সময় খবর আসলো, কলম্বোর একটি জুয়ার আসরে (ক্যাসিনোতে) গিয়েছিলেন কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। ক্যাসিনোতে সুজনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এরিমধ্যে। তাতে দেখা যায়, সুজন নিজের এটিএম কার্ড দিচ্ছেন ক্যাসিনোর এক নারী ওয়েটারকে। সেখানে সুজনের সাথে দেখা গেছে আরো বেশ কয়েকজনকে।
এদিকে বাংলাদেশ দল অতিক্রম করছে অন্যতম বাজে সময়। ২০১৭ সালের পর টানা চার ওয়ানডেতে হেরেছে টাইগাররা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ওয়ানডেতে দাঁড়াতেই পারেনি তামিমরা। বাংলাদেশ দলের এই বাজে সময়ে নির্ভার ভারপ্রাপ্ত কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। দলের এমন অবস্থায় তাকে ক্যাসিনোতে দেখা যাওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
২০১৫ সালেও ক্যাসিনো-বিতর্কে জড়িয়েছেন সুজন। সেবার বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার কাছে হতাশাজনক হারের পর ক্যাসিনোতে গিয়েছিলেন তিনি। তখন বেসরকারি এক চ্যানেলকে ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছিলেন সুজন।
তবে এবার ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা স্বীতার করলেও সেখানে খেতে গিয়েছিলেন বলে জানান সুজন।
তিনি বলেন, জন বলেন, 'আমার এক বন্ধুকে নিয়ে সেখানে গিয়েছিলাম। ক্ষুধা পেয়েছিল বলে সেখানে যাই খাওয়ার জন্য। ক্যাসিনোতে শুধু কার্ড খেলা হয় না, খাবারও পাওয়া যায়। সে কারণেই ওখানে যাই।'
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও সম্পর্কে সুজন বলেন, 'আমি জানি, আমি কেন সেখানে গিয়েছিলাম। কার্ড খেলার তো প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সিরিজ চলছে; কোচ হিসেবে আমার সমস্ত মনোযোগ সেখানে। ক্যাসিনোতে এক বাঙালি ছিলেন। তিনি আমার কাছে কার্ড চাইলে তাকে কার্ডও দিই। ব্যস, এইটুকুই। এখন এ নিয়ে যদি ফেসবুকের মতো জায়গায় আলোচনা-সমালোচনা হয়, তাতে আমার কী করার আছে?'