বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি | ১৫ অক্টোবর, ২০১৫
বিয়ানীবাজারের এক তরুণকে বাড়িতে থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হত্যার করার উদ্দ্যেশে তিন যুবক ওই তরুণকে চেতনানাশক তরল দ্রব্য খাইয়ে বিয়ানীবাজার-সিলেট সড়কের কাকরদিয়া এলাকায় অবচেতন অবস্থায় ফেলে দেয়।
গত ১৩ অক্টোবর রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। বিয়ানীবাজার টহল পুলিশ ওই তরুণকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
তরুণের নাম লায়েক আহমদ (১৫)। সে উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের হাজড়া গ্রামের আবদুর রহমানের পুত্র।
বিয়ানীবজার থানা সূত্রে জানা যায়, টহল পুলিশ লায়েককে বিয়ানীবাজার হাসপাতালে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরাও হাসপাতালে ছুটে আসেন। অবস্থার অবনতি হলে ওই রাতে তাকে সিলেট ওসমানি কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সে সুস্থ হয়ে বাড়িতে অবস্থান করছে।
বিয়ানীবাজার থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ দুবাগ গ্রামের আবদুল খালিকের পুত্র আশফাক, একই গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র দুলাল ও আছদ্দর আলীর পুত্র জামাল ১৩ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে মোবাইল ফোনে লায়েককে ডেকে বাড়ি থেকে বের করে। এক পর্যায়ে তারা লায়েক জোর করে দুলালের অটোরিক্সায় তুলে। মারধর করে তরল চেতনানাশক পান করিয়ে বিয়ানীবাজার-সিলেট সড়কের কাকরদিয়া আলগাট্টা এলাকায় রাস্তার মধ্যখানে ফেলে রাখে।
এ সময় বিয়ানীবাজার থানার টহল পুলিশ রাস্তার ওই অংশ পার সময় অবচেতন অবস্থায় লায়েককে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার হাসপাতালে নিয়ে আসে। লায়েকের পিতা আবদুর রহমান এ ঘটনায় বিয়ানীবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিয়ানীবাজার থানার ওসি জুবের আহমদ বলেন, প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে। পক্ষে-বিপক্ষে অভিযোগ রয়েছে। দুবাগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ ওই এলাকার মুরব্বিরা সামাজিকভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করেছেন। ঘটনাটি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে আমাদের তারা জানিয়েছেন।