নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৯ জুলাই, ২০২০
সিলেট বিভাগীয় ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রিপন হত্যা মামলার দুই আসামীসহ বিভিন্ন অপরাধে মহানগর পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে ও সন্ধ্যায় মহানগর পুলিশের মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস বিভাগ থেকে পাঠানো একাধিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার পিপিএম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিলেট বিভাগীয় ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রিপন হত্যা মামলার দুই আসামিকে নগরীর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বরইকান্দি ১নং রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন, নগরীর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বরইকান্দি ১নং রোডের ফারুক মিয়ার ছেলে মনির আহমদ ওরফে ইমন (৩৫) ও একই এলাকার সামছুল হকের পুত্রে মো. আয়নুল হক (৩৫)।
বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মনির আহমদ ইমন রিপন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি রিমুর আপন ছোট ভাই হয়। গ্রেপ্তারের পর তাদেরকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে অচিরেই তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আসামী মনির আহমদ ওরফে ইমনের বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় আরও ৪৬ টি মামলা রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস থেকে পাঠানো আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নগরীর আরামবাগে অবস্থিত আমানউল্লাহ কনভেনশন সেন্টারের বিপরীত পাশে থেকে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২জন আটক করেছেন মহানগর পুলিশের শাহপরান (রহ.) থানা পুলিশের সদস্যরা।
আটককৃতরা হলেন, মো. নুরু মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া (২৮), ও ফারুক মিয়ার ছেলে দুলাল আহমদ ওরফে আপন (৩০)।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৮ জুলাই (শনিবার) রাতে শাহপরান (রহ.) থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে, পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে তা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে শাহপরান (রহ.) থানার মামলা রুজু করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের অভিযানে বাগবাড়ী এলাকা থেকে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার হয়েছে। এসময় তাদের কাছে চাকু উদ্ধার করেছে মহানগর পুলিশের সদস্যরা।
মহানগর পুলিশের মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস বিভাগ থেকে পাঠানো আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলা হয়, সিলেটের এক নারী পুলিশ সদস্যকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার ভ্যানেটি ব্যাগ, মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে থানায় এজাহার দায়েরের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, গোয়াবাড়ী এলাকার মোছাব্বির আহমদের পুত্র সাব্বির আহমদ (২৬) ও আখালিয়া এলাকার রুবেল মিয়ার পুত্র রাজ আহমদ ফয়সল (২০)।
গ্রেপ্তারকৃতদের কোতোয়ালী মডেল থানার নং-২১, তাং-১৬/০৭/২০২০খ্রিঃ মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার পিপিএম সাক্ষরিত আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে চিহ্নিত এক চোরকে গ্রেপ্তার ও চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) লালাদিঘীরপাড় এলাকায় চোরাইকৃত মালামাল কেনাবেচা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী শেখ পিপিএমের সার্বিক নির্দেশনায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এতে একাধিক চুরি ও ছিনতাই মামলার আসামি মো. রাজিব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে চোরাইকৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের পর তা জব্দ করেন উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা। আসামিকে গ্রেপ্তারের পর কোতোয়ালি মডেল থানার মামলা নং-২৬, তাং-১৯/০৭/২০২০খ্রিঃ রুজু করে আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার নোয়াগাও গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। সে বর্তমানে নগরীর লালাদিঘীরপাড় এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় আরও ৫ টি মামলা রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।