Sylhet Today 24 PRINT

হঠাৎ রায়হানের বাড়িতে পুলিশ কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ মৃত্যুর ২ মাস ৮ দিন পর আবারও তার বাড়িতে গিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আলিফ। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে হঠাৎ করেই নগরের আখালিয়ায় রায়হানদের বাড়িতে যান পুলিশ কমিশনার।

সিলেট মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে জানানো হয়, রায়হানের ৪ মাস বয়সি মেয়ে আলফাকে দেখতে এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করতেই তাদের বাড়িতে যান নিশারুল আরিফ। এসময় তিনি রায়নের মা সালমা বেগমের সাথে হত্যা মামলার অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন এবং রায়হানের মেয়েকে উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

এসময় পুলিশ কমিশনারের সাথে ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সাল মাহমুদ, উপ পুলিশ কমিশনার (সদর) তোফায়েল আহমেদ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্লাহ তাহের এবং স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর মোখলেসুর রহমান কামরান উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন



এরআগে গত ২৭ অক্টোবর সিলেটে যোগদান করেই রায়হান আহমদের বাড়িতে গিয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ।

গত ১১ অক্টোবর সকালে মারা যান নগরীর আখালিয়া বাসিন্দা রায়হান আহমদ (৩৪)। বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে এনে নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই রাতেই হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী তামান্না আক্তার।

ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখন অভিযোগপত্র দিতে পারেনি চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই।

যদিও এঘটনায় মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে নির্যাতনের সত্যতা পায়। এই ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর আকবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যান বন্দরবাজার থানার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা আকবর হোসেন ভূঁইয়া।

গত ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতে পালানোর সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ দাবি করে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.