জগন্নাথপুর প্রতিনিধি | ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ বিএনপি মনোনীতসহ ৫ জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করছেন। মঙ্গলবার প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোনো প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি। আজ বুধবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের দিন।
তবে এর আগেই মেয়র ও একটি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের নিজেদের মধ্যে পছন্দের প্রতীক ভাগাভাগি করে নেন। প্রতীক ভাগাভাগির পর শুরু করেন প্রচারণা।
৫ প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া দলীয় মনোনয়ন পেয়ে (নৌকা) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হারুনুজ্জামান (ধানের শীষ) দলীয় সিদ্ধান্তে প্রতীক পেয়েছেন। অপর তিন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র আক্তার হোসেন (চামচ) বিষ্ণু রায় (কবুতর) ও আমজদ আলী শফিক (মোবাইল ফোন) প্রতীক চেয়ে আবেদন করেছেন।
একাধিক প্রতীকের দ্বন্দ্ব না থাকায় মেয়র প্রার্থীদের প্রতীকগুলো নিশ্চিত পাবেন মনে করে তাদের সমর্থকরা মঙ্গলবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচারণা চালান। একইভাবে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের আগেই নিজেরা পছন্দের প্রতীক ভাগাভাগি করে প্রচারণা শুরু করেন। কাউন্সিলর পদে ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তিন জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করছেন। তারা হলেন ইমদাদ হোসেন, জিতু মিয়া ও মল্লিক ইমরান।
মনোনয়ন পত্র দাখিলের দিন ২০ ডিসেম্বর প্রার্থীরা নিজেরা বসে পছন্দের প্রতীক ভাগাভাগি করে নেন।ইমদাদ হোসেন পাঞ্জাবি প্রতিক, জিতু মিয়া উটপাখি ও মল্লিক ইমরান পানির বোতল প্রতীক সমঝোতার মাধ্যমে ভাগাভাগি করে নেন।
মল্লিক ইমরান জানান, আমরা নিজেরা বসে পছন্দের প্রতীক ভাগাভাগি করে নিয়েছি। প্রতীক বরাদ্দের দিন আনুষ্ঠানিকতা শেষে পোষ্টার লিপলেট নিয়ে প্রচারণা চালাব।
জগন্নাথপুর উপজেলা নাগরিক ফোরাম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন, প্রার্থীদের মধ্যে এরকম সম্প্রতি নাগরিকদের জন্য শুভ লক্ষণ। আমরা চাই আগামী দিনেও যেন তারা নির্বাচনী প্রচারনায় সম্প্রতি বজায় রাখেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানান, আজ ৩০ ডিসেম্বর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের দিন ছিল। এর আগে যদি নিজরা পছন্দের প্রতীক ভাগাভাগি করে নিলে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। তবে প্রতীক বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে কেউ প্রচারণা চালাতে পারবে না।