নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ জানুয়ারী, ২০২১
সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও জকিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার। দুটিতেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বিদ্রোহীদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা।
গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামি লীগের প্রার্থী ছিলেন মো. রুহেল আহমদ। নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বতাই গড়ে তুলতে পারেননি তিনি। রুহেল পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ১৭৫ ভোট।
এই পৌরসভায় আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থীতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫ হাজার ৮৫১ ভোট পেয়ে পুণরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম রাবেল। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বি জাকারিয়া আহমদ পাপলু মোবাইল ফোন প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৫৮ ভোট।
একই অবস্থা জকিগঞ্জ পৌরসভায়ও। জকিগঞ্জেও মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে। এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিল উদ্দিন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬৬৯ ভোট।
শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জকিগঞ্জে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল আহাদ। নারিকেল গাছ প্রতীকে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক (বহিস্কৃত) আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ২ হাজার ১৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বিও আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক (বহিস্কৃত) ফারুক আহমদ। জগ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক পেয়েছেন ২ হাজার ৮১ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসলামী সংগঠন আল ইসলাহর পৌর সভাপতি হিফজুর রহমান মোবাইল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৮৫ ভোট।
এই দুই পৌরসভায় কেনো আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেননি- এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে জকিগগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জের আওয়ামী লীগ অনুসারী কয়েকজন ভোটারের সাথে। তারা জানান, প্রার্থী নির্বাচনে ভুল, বিদ্রোহীদের আটকাতে না পারা এবং দলের একটা বড় অংশ বিদ্রােহী প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করার কারণে হারতে হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের।