সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৫ নভেম্বর, ২০১৫
সিলেটে প্রথমবারের মতো মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার। কাল সকাল সাড়ে ছয়টায় লাক্কাতুরাস্থ বিভাগীয় স্টেডিয়াম প্রাঙ্গন থেকে নয় কিলোমিটার ব্যাপী এ ম্যারাথন শুরু হবে। নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট, শাহী ঈদগাহ, কাজীটুলা, নয়াসড়ক, চৌহাট্টা, রিকাবীবাজার, শেখঘাট জিতু মিয়ার পয়েন্ট, ক্বীন ব্রীজ মোড়, কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার হয়ে, লামাবাজার হয়ে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে গিয়ে সম্পন্ন হবে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রবীণ ক্রীড়াবিদ রনজিত দাস। এদিকে, ম্যারাথন উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে ফ্যাস্টুন, ব্যানার এবং নানা রকম বাদ্য বাজনার সমন্বয়ে র্যালীটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এভারেস্ট একাডেমীর চেয়ারম্যান বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী মুসা ইব্রাহিম, যুগান্তর সিলেটের ব্যুরো প্রধান রেজওয়ান আহমদ, স্বজন সমাবেশ সিলেটের বিভাগীয় সমন্বয়ক প্রভাষক প্রণবকান্তি দেব এর নেতৃত্বে র্যালীতে ক্রীড়ামোদীসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
এছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন এভারেস্ট একাডেমির সিইও রাফা উদ্দিন সিরাজি, এ ফর অ্যাডভেঞ্চারের সিইও সৈয়দ নাজমুস শাকিব, যুগান্তরের রিপোর্টার আজমল খান, স্বজন সমাবেশের প্রাক্তন সভাপতি মেহেদী কাবুল, জেলা সভাপতি মবরুর আহমদ সাজু, সাধারণ সম্পাদক সুবিনয় আচার্য্য, স্বজন সুমন রায়, সাইদুল করিম রেজা, শাওন আহমদ, রায়হান আহমদ, মাহমুদুর রহমান অপু ও আলমাস আহমদ।
নগর প্রদক্ষিণকালে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে নগরবাসী মিনি ম্যারাথনের সাফল্য কামনা করে করতালি দিয়ে স্বাগত জানান। র্যালি শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এক সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, দেশ স্বাধীনের পর এমন বড় পরিসরে ম্যারাথন সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়নি। এভারেস্ট একাডেমি, যুগান্তর স্বজন সমাবেশ, এ ফর অ্যাডভেঞ্চার সম্মিলিতভাবে এ ম্যারাথন আয়োজন করেছে। বিভিন্ন বয়স ও পেশার তিন শতাধিক প্রতিযোগি ইতোমধ্যে ম্যারাথনে অংশ নেয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন।
রেজিস্ট্রেশনকৃতদের আজ শুক্রবার সকাল ছয়টায় বিভাগীয় স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে টি-শার্ট ও দৌড়ের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে হবে। নয় কিলোমিটারের এই স্কাই মিনি ম্যারাথন এক ঘণ্টা ১৫ মিনিটে শেষ হবে। সফলভাবে সম্পন্নকারীদের সনদ, প্রথম দশজনকে মেডেল এবং প্রথম তিনজনকে ট্রফি প্রদান করা হবে। শাহী ঈদগাহ, চৌহাট্টা ও শেখঘাট জিতু মিয়ার পয়েন্টে দৌড়বিদদের জন্য পানির ব্যবস্থা থাকবে এবং পুরো আয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসা সরঞ্জামসহ দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে।
ম্যারাথনকে সফল করে তুলতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, সিলেট সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিট, ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও মিলাদ ড্রিংকিং ওয়াটার। ম্যারাথনের প্রচারণায় নগরীর ছয়টি জনবহুল পয়েন্টে বসানো হয়েছে সুদৃশ্য তোরণ। যা নগরবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে।