Sylhet Today 24 PRINT

মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ০৮ নভেম্বর, ২০১৫

প্রতিবছর জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী মাসে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হলেও এবার নভেম্বর মাসেই মশক নিধনের ‘বিশেষ অভিযান’-এ নেমেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। বিশেষ এই অভিযানের আওতায় সিলেট মহানগরীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডের নালা-নর্দমা, ডোবা-পুকুর, জলাশয়ে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। এবার মশার উৎপত্তিস্থলকে ধ্বংস করার টার্গেট নিয়েই বিশেষ এই অভিযান চালাচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ইতোমধ্যে একাধিক ওয়ার্ডে ওষুধ স্প্রে করা হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মহানগরীর ১৮, ১৯, ২০ নম্বর ওয়াডের্র সকল নালা-নর্দমা, ডোবা-পুকুর, জলাশয়সহ অন্যান্য সম্ভাব্য মশার উৎপত্তিস্থলে মশক নিধন অভিযান চালানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, ইপিআই সুপার ভাইজার ভুপাল রঞ্জন চন্দ, স্বাস্থ্য পরিদর্শক আলবাব আহমদ চৌধুরী, সংরক্ষন পরিদর্শক মো: জাবেরুল ইসলাম, মোহাম্মদ উল্লাহ বুলবুল, কবির আহমদ।

রোববার বিকেল ৪টা থেকে মহানগরীর চৌহাট্টা থেকে দরগাগেইট পর্যন্ত এলাকায় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশক নিধন অভিযানও পরিচালনা করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
এছাড়াও শনিবার (৭ নভেম্বর) ১০ ও ১১ ও ১২ওয়ার্ডের শেখঘাট, ভাঙাটিকর, কুয়ারপাড়ের সকল ড্রেন নালা মসজিদের আশপাশ, নবাবরোডের সকল ড্রেন নালা, জিতু মিয়ার পযেন্টে আশপাশ ড্রেন, বাগবাড়ী এতিমখানার ভেতর, ভাতালিয়া এলাকার সকল ড্রেন, সরসপুর এলাকার সকল ড্রেন, ডাবা-পুকুর, জলাশয়সহ অন্যান্য সম্ভাব্য মশার উৎপত্তিস্থলে মশার ওষুধ স্প্রে করা হয়।

এদিকে এই কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব জানান, ‘আগাম’ এই অভিযান চালানোর পাশাপাশি মশার উৎপত্তিস্থল ও বংশবৃদ্ধি হতে পারে এরকম সম্ভাব্য জায়গা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি মহানগরীর সম্মানিত নাগরিকদেরকেও নিজেদের বাড়ি ও আশাপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ জানিয়ে এনামুল হাবীব বলেন, ‘শুধুমাত্র ওষুধ স্প্রে করলেই মশক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, বাড়ির আশেপাশে যাতে মশার বংশবৃদ্ধি না ঘটে সেজন্য নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।’

চীফ কনজারভেন্সী অফিসার মো: হানিফুর রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে কনজারভেন্সী ইন্সপেক্টর, হেলথ ইন্সপেক্টরসহ তিনজন সুপারভাইজার সম্পৃক্ত আছেন। এছাড়াও ৫ জন স্প্রেম্যান সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন জানিয়ে মোঃ হানিফুর রহমান জানালেন, ‘বিশেষ এই অভিযানের উদ্দেশ্য হচ্ছে মশার সম্ভাব্য উৎপত্তিস্থলগুলোকে চিহ্নিত করে সেই জায়গাগুলোতে যাতে মশার বংশবৃদ্ধি না হয় তার ব্যবস্থা গ্রহন করা।’

এই বিশেষ অভিযানে পর্যাপ্ত ওষুধ আছে জানিয়ে হানিফুর রহমান বলেন, ‘ইতোমধ্যে আরও প্রায় ২৫ লাখ টাকার ওষুধের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। আগামী দেড়/দুই মাসের মধ্যে এই ওষুধ চলে আসবে। ‘আগাম’ এই অভিযানের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত অভিযানও জানুয়ারী থেকে শুরু করা হবে।’

 

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.