নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ মে, ২০২১
সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকার হোটেল নির্ভানা ইনের সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে মারা যাওয়া রৌদ্র দত্তের (১৫) শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মহাশশ্মানঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রৌদ্র মঙ্গলবার নির্ভানা ইনের সুইমিং পুলে পড়ে মারা যায়। সে এবছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো।
ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার দুপুরে রৌদ্রের মরদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এসময় পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক কবির খান, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি গুপ্তসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হাসপাতাল থেকে তার লাশ আনা হয় জিন্দাবাজার এলাকার বাসার। এরপর কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ায় হয়। সেখানকার মহাশশ্মানঘাটে আনুষ্ঠানিকতা শেষে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। পরিবার থেকে মামলা না করলে পুলিশ বাদি হয়ে অপমৃত্যু মামলা করবে।
মঙ্গলবারের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নিহত রৌদ্রের সাথে সাঁতার কাটতে যাওয়া একরাম হোসেন জানান, বিকাল ৫টার দিকে হোটেল নির্ভানা ইনের সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে যাই। এসময় রৌদ্রের সহপাঠিরাও সাথে ছিল। পুলে নামে আধাঘন্টার মধ্যে রৌদ্রকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সবাই অনেক খোঁজার পরও তাকে না পাওয়ায় হোটেলের কর্মীরা পুলে নামেন। তখন হোটেলের কর্মীরা দেখতে পান রৌদ্র পানির নিচে ডুবে আছে। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে ওসমানী মেডিকেলের নিয়ে আসা হয়। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হোটেল নির্ভানা ইনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখনও আমাদের তদন্ত চলছে। তবে সুইমিংপুলটি সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত নয়। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটু বিলম্ব হচ্ছে।