বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি | ০৭ জুন, ২০২১
সিলেটের বিয়ানীবাজারে চুরি করা গরু জবাই করে কসাইখানায় বিক্রির ঘটনায় তোলপাড় চলছে উপজেলাজুড়ে। এ ঘটনায় সাথে জড়ির থাকার অভিযোগে এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রুহেল আহমদ (৩৫) কে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা ইউপির ঢেউনগর গ্রামের গোয়ালঘর থেকে গত শুক্রবার একসাথে ৩টি গরু চুৃরি হয়। এ ঘটনায় গরুর মালিক জিবান আহমদ থানায় সাধারণ ডায়রী করে খোঁজাখুজি শুরু করেন।
রবিবার দুপুরে তিনি পৌরশহরের কিচেন মার্কেটস্থ কসাইখানায় গিয়ে চুরি হওয়া একটি গরুর পা, মাথা ও রশি সনাক্ত করেন। এরপর বিষয়টি তিনি পুলিশকে অবহিত করলে গা ঢাকা দেন কসাইখানার মালিক সুমন। এ ঘটনায় রাতে জিবান আহমদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামী রুহেল আহমদ চুরি করা গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান। মামলার অপর আসামী জকিগঞ্জের (বর্তমানে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের মুফচ্ছিল মার্কেট) কসাই সুমন (৩৬) ও একই এলাকার শাহগলি কোনাগ্রামের হবি আলীর ছেলে তাজ উদ্দিন (৩৯) পলাতক। গরু চোর গ্রেপ্তারের খবরে থানায় ভূক্তভোগী মানুষের ভিড় লেগেছে।
চুরি যাওয়া গরুর মালিক জিবান আহমেদ বলেন, গত শুক্রবার রাতে আমার গোয়াল ঘর থেকে ৩টি গরু চরি হয়। অনেক খুজাখুজির পর গরু পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে ছিলাম কিন্তু রবিবার হঠাৎ পৌরসভার কিচেন মার্কেটের গিয়ে আমার গরুর পায়েঢর খূর,রসি,মাথা দেখে সনাক্ত করি আমার গরু জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ রুহেলকে গ্রেপ্তার করে।
বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে স্থানীয়ভাবে চুরি হওয়া গরুর বিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। অপর আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।