সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ২৮ জুন, ২০২১
সারাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় চলমান লকডাউনে সাধারণ মানুষজনকে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন।
সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের আলফাত উদ্দিন স্কয়ার রোড এলাকা থেকে শহরের পুরাতন বাসস্টেশন এলাকা পর্যন্ত হ্যান্ড মাইক নিয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান ডিসি ও পুলিশ সুপার।
এছাড়া ওই এলাকাগুলোর বিভিন্ন দোকানপাট পরিদর্শন করেন এবং নিত্যপণ্য ওষুধ ও রেস্তোরা ছাড়া বাকি সব রকমের দোকানপাট লাগিয়ে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করেন তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজুসহ প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তারা।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সরকারের দেওয়া বিধি নিষেধগুলো সবাইকে মানতে হবে। কোন অবস্থাতেই বিনা কারণে বের হওয়া যাবে আর যদি কারও বের হতে তাহলে মাস্ক পড়ে বের হবে। আগামীকাল থেকে বিধি নিষেধ না মানলে আমরা কড়া অবস্থানে যাব। নিয়মিত হাত পরিষ্কার করতে হবে এবং কোন অবস্থাতেই কোন জনসমাগম করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জ সীমান্তবর্তী জেলা হলেও আমাদের সকল রোড বর্তমানে বন্ধ রয়েছে, এখান থেকে ভারতে যেতেও পারবে না আবার ভারত থেকে কেউ সুনামগঞ্জে আসতে পারবে না। আমরা সারা দেশের মধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছি। এছাড়া করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট বসবে, সেখানে বেশি মানুষ যেনো ভিড় করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হবে।
এছাড়া বাজারে যারাই আসবে তাদেরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই সুনামগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ী গরুর হাট বসবে তবে আমরা সকলে অনুরোধ জানাবো এবার সকলে যেন সরাসরি বাজার থেকে গরুর না কিনে অনলাইনের মাধ্যমে গরু কিনে কোরবানি দেওয়া হয়।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, সুনামগঞ্জের ১২ টি থানার মধ্যে ৬টি থানার সাথে ভারতীয় সীমান্ত রয়েছে। করোনায় ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দেখাদিয়েছে ওই সকল সীমান্তবর্তী উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে প্রচারণা চালাচ্ছি, যাতে কোন অবস্থাতে দুই দেশের মিশ্রণ না হয়। এছাড়া সীমান্তের পাশে যাদের বাড়ি রয়েছে এবং আত্মীয় স্বজন রয়েছে তাদেরও আমরা বলেছি বর্তমানে এসব বন্ধ রাখতে হবে। কোন অবস্থাতেই ভারতে যাওয়া যাবে না।