হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | ১৯ জুলাই, ২০২১
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত কঠোর লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। করোনাকালে ঈদ উৎসবের কথা ভেবে শর্ত সাপেক্ষে মার্কেট-শপিং মল খুলে দেওয়া হয়েছে।
রোববার হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় তবে অধিকাংশ ক্রেতা বিক্রেতার মুখে ছিল না মাস্ক। এছাড়াও সামাজিক দূরত্ব না মেনে গা ঘেঁষে বিকিকিনি করছিলেন সবাই।
বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানাতে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন। ক্রেতারা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে তাদেও কিছু করার নেই।
তাদের দাবি, গত ঈদের মতো এবার ব্যবসা হচ্ছে না।
ঘাটিয়া বাজার এলাকায় কথা হয় সুয়েব আহমেদের সাথে। তার সাথে রয়েছেন স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি দোকানে ভিড়, নিজে স্বাস্থ্যবিধি মানলেও দোকানগুলোতে যে গা ঘেঁষাঘেঁষি তাতে সংক্রমণ ছড়ানোর শঙ্কা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ৫ টি দোকানে ঘুরেছি কিন্তু দামবেশি হওয়ায় এখনও কাপড় কিনতে পারিনি।’
চৌধুরী বাজার এলকায় জোসনা আক্তার বলেন, ঈদ চলে এসেছে বাচ্চারা নতুন জামার জন্য কান্নাকাটি করছে তাই তাদের কাপড় কিনতে মার্কেটে আসা। স্বাস্থ্যবিধির কথা বললে জোসনা বলেন, ‘মাস্ক নিয়ে এসেছি কিন্তু যে গরম তাতে দম বন্ধ হয়ে আসছে তাই মাস্ক খুলে রেখেছি।’
ঘাটিয়া বাজার এলাকার বিক্রেতা শাকির আহমেদ বলেন, ‘ক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানাতে যথেষ্ট চেষ্টা করছি, তবে অনেকেই তা মানছেন না। তিনি বলেন, ‘ক্রেতারা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানেন তাহলে আমাদেও তো কিছু করার নেই।’
ঈদ ঘনিয়ে আসলেও তেমন ক্রেতা নেই দাবি করে ইসমাইল হোসেন নামের এক বিক্রেতা বলেন, ‘ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি আছে ঈদের। কিন্তু যে পরিমাণ বিক্রি হওয়ার কথা তা বিক্রি করতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘লকডাউনের কারণে প্রায় ১৫ দিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে, এমনিতেই ব্যবসা লোকসানে রয়েছি। ভেবেছিলাম ঈদে কিছু টাকা লাভ হবে কিন্তু এ যে পরিমাণ বিক্রি হচ্ছে তাতে মনে হয় না লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবো।’
রুবেল আহমেদ নামের এক বিক্রেতা বলেন, ‘অধিকাংশ ক্রেতাদের সাথে দীর্ঘ সময় দরদাম করে স্বল্প লাভে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতাও কম। তাছাড়া লকডাউনের কারণে ঢাকা থেকে তেমন মালামালও আনতে পারিনি।