সিলেটটুডে ডেস্ক | ১৫ নভেম্বর, ২০২১
সিলেট সিটি করপোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে মেসার্স মাহি আয়রণ ষ্টোর নামে একটি ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দুলাল আহমদ খাঁন।
সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয়, আনিসা এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং বিভ্রান্তিকর অভিযোগ এনে সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর এবি এম জিল্লুর রহমান উজ্জলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। সেইসাথে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়েছে। মাহি আয়রণ ষ্টোর এই অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলার নিন্দা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সিসিকের ১৮ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শাহী ঈদগাহ-কাজী জালাল উদ্দিন স্কুল থেকে নাইওরপুল রামকৃষ্ণ মিশন পর্যন্ত ব্রিক ড্রেন ও আরসিসি স্ল্যাব ভাঙ্গার কাজ পায় মেসার্স মাহি আয়রণ স্টোর। কাজের প্রাক্ষলিত ব্যায় ছিল ৬০ হাজার টাকা। পরবর্তীতে বিশেষ অসুবিধার কারণে গত বছরের ১১ জুলাই মেসার্স মাহি আয়রণ স্টোর কাজটি আনিসা এন্টারপ্রাইজের নিকট হস্তান্তর করে ৬০ হাজার টাকায়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মাত্র ৬০ হাজার টাকার কাজটি মামলা এবং সংবাদ মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা বলে চালিয়ে গেছেন আনিসা এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর কামাল আহমদ। এটি চরম মিথ্যাচার। বারবার নির্বাচিত একজন কাউন্সিলরকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে কামাল চরম মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছেন বলে আমি মনে করছি। কারণ ১৮ নং ওয়ার্ডে আমি অনেকগুলো কাজ করেছি। কখনো কোন রকম প্রতিবন্ধকতা কিংবা হয়রানীর শিকার আমাকে হতে হয়নি। আমি সবসময় কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা পেয়েছি। এই ওয়ার্ডের জনগণও আমাকে সবসময় সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। অথচ মাহি আয়রণ ষ্টোর নিকট থেকে কাজ নিয়ে কামাল আহমদ এরকম ঘৃণ্য আচরণ করবেন তা আমি কখনো বুঝতে পারিনি। এখানে চাঁদা দাবীর বিষয়টি সম্পুর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। কারণ কাজ যেখানে মাত্র ৬০ হাজার টাকার সেখানে দেড় লাখ টাকা চাদা দাবী করা হাস্যকর বটে।
প্রসঙ্গত, কাউন্সিলরের উজ্জ্বলের বিরুদ্ধের চাঁদাদাবির অভিযোগ এনে গত বৃহস্পতিবার নগরের কতোয়ালি থানায় একটি মামলা করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আনিসা এন্টারপ্রাইজ।