নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
চলছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবস।
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ১০ দিন আগে বিশ্বের দ্বিতীয় রাষ্ট্র হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃত দেয়।
গত ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে এই স্বীকৃতি প্রদানের ৫০ বছর পূর্ণ হয়। এই দিনটি ভারত বাংলাদেশ প্রতিবছরই যৌথভাবে মৈত্রী দিবস পালন করে আসছে। এবছরও তা বাদ যায়নি।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ ডিসেম্বর সোমবার ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স(বিএসএফ) এর আয়োজনে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি সীমান্তের জিরোপয়েন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশের যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এছাড়া দুই দেশের শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স(বিএসএফ) এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ জুরাই জোন এর ডিআইজি সন্দীপ কুমার ও বিএসএফ ৩০ ব্যাটালিয়ন এর কমান্ডেন্ট সঞ্জীব কুমার।
আরও উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন সিলেট অফিস এর সেকেন্ড সেক্রেটারি সঞ্জীব কুমার।
বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলার কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল, ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আকরাম আলী, মৌলভীবাজার জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিনহা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিলেট মহানগরের সাবেক কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা নীল কান্ত সিংহ।
মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতীয় যোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা চিফ কনস্টেবল বুলিন চন্দ্র রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা কনস্টেবল মাইকেল উদিয়াং এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা এডওয়ার্ড কিন।
অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাগণ যুদ্ধে ঘটে যাওয়া তাদের স্মৃতি তুলে ধরেন। এসময় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে আমন্ত্রিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিএসএফের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয়।
এরপর দুই দেশের সংস্কৃতি নৃত্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করেন সিলেট থেকে আগত দল একাডেমি ফর মণিপুরী কালচার এন্ড আর্ট (এমকা)। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন শান্তনা দেবী।
এরপরে নৃত্য পরিবেশন করেন শিলং থেকে আগত একটি দল। তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি খাসিয়া নৃত্য তুলে ধরেন। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন মারকুচ।