নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জানুয়ারী, ২০২২
হেফাজত ইসলামের নেতা মামুনুল হককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে দীর্ঘ ৬ মাস কারাবরণ করা ঝুমন দাশ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে হেরে গেছেন।
বুধবার (৫ জানুয়ারি) পঞ্চম ধাপে শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সুবল চন্দ্র দাস আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রঞ্জিত দাস। ঝুমন দাশ হয়েছেন তৃতীয়। নির্বাচনে অপর প্রার্থী ছিলেন রাজিব কান্তি দাস।
দীর্ঘ কারাবাস এবং একটা সময়ে একের পর এক আবেদনের পর জামিন না পাওয়া ঝুমন দাশ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। যে কারণে তিনি ভোটে কেমন করেন, এ নিয়ে দৃষ্টি ছিল অনেকের।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ মার্চ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ‘শানে রিসালাত সম্মেলন’ নামে সমাবেশের আয়োজন করে হেফাজতে ইসলাম। এতে হেফাজতের তৎকালীন আমির জুনায়েদ বাবুনগরী ও যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বক্তব্য দেন। পরদিন মামুনুল হকের সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন শাল্লার নোয়াগাঁওয়ের যুবক ঝুমন দাশ। এ ঘটনায় হিন্দুদের বাড়ি ও মন্দিরে হামলা হয়। পরে ঝুমনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন শাল্লা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম। বিভিন্ন আদালতে একাধিকবার জামিন না হওয়া ঝুমন দাশ প্রায় ছয় মাস পর হাই কোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত হন।