হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | ২০ জুন, ২০২২
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ জেলার খোয়াই নদীতে পানি বাড়ছে। ইতোমধ্যে বাল্লা সীমান্তে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বাল্লা পয়েন্টে বিপদসীমার ১২৭ সেন্টিমিটার ও মাছুলিয়া পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নবীগঞ্জ ও আজমিরীগঞ্জের পর এবার লাখাই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (অ.দা.) মিনহাজ আহমেদ শোভন জানান, কুশিয়ারার পানি অব্যাহতভাবে বাড়ছে। বাঁধ উপচে পানি হাওড়ে প্রবেশ করায় নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে খোয়াই নদীতে পানি বাড়ছে। সকাল ৯টায় বাল্লা সীমান্তে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এদিকে শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন জানান, নবীগঞ্জ, লাখাই, আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কয়েক হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। রবিবার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এদিকে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নবীগঞ্জ ও আজমিরীগঞ্জের পাশাপাশি এখন লাখাই ও বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা কবলিত মানুষের আশ্রয়ের জন্য নবীগঞ্জে ১৩টি, লাখাইয়ে ১৫টি, আজমিরীগঞ্জে ২১টি ও বানিয়াচং মিলে মোট ৯৩ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।