হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার পাথারিয়া গ্রামে শুক্রবার সকালে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় সেলিম মিয়া নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত এবং অপর ১০ জন আহত হয়েছে। সেলিম মিয়া ওই গ্রামের টেনু মিয়ার ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় দুই জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদেরকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাথারিয়া গ্রামের তাহির মিয়া ও তার চাচাত ভাই টেনু মিয়ার মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার সকালে টেনু মিয়া বিরোধপূর্ণ জমিতে হাল চাষ করতে যান। সকাল ৬টার দিকে তাহির মিয়ার লোকজন টেনু মিয়াকে হাল চাষে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষে হবিগঞ্জ সরকারী বৃন্দাবন কলেজের ডিগ্রী শেষ বর্ষের ছাত্র সেলিম মিয়া বুকের বাম দিকে টেটাবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। গুরুতর আহত শামীম মিয়া ও বারিক মিয়াকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সোহেল মিয়া, টেনু মিয়া ও আব্দুল মিয়াসহ আহতদেরকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে বানিয়াচঙ্গ থানার ওসি নির্মলেন্দু চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তৈয়ব আলী নামে একজনকে আটক করে।
ওসি নির্মলেন্দু চক্রবর্তী জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহত সেলিম মিয়ার লাশের ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।