Sylhet Today 24 PRINT

কমে গেছে গরুর দাম, হতাশায় খামারিরা

রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর  |  ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুরে গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন উপজেলা খামারিরা। হাটে বড়, মাঝারি ও ছোট সাইজের বিপুল সংখ্যক গরু উঠলেও দাম না পেয়ে বিক্রেতারা ফিরে যাচ্ছেন। বন্যা থাকায় অনেকেই ঋণ করেছেন বাধ্য হয়ে কম দামে গরু বিক্রি করেছেন। তারপরও হাটে উঠলে হয়তো কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন— এমন আশায় বসে আছেন অনেকে।

উপজেলা রসুলগঞ্জ বাজারে (২ সেপ্টেম্বর) পশুর হাটে সকাল থেকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে।
অভাব-অনটন থেকে মুক্তির আশায় চার বছর ধরে গরু লালন-পালন করেছেন চৈলা আলমপুর গ্রামের রফিজ আলী। তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন, গরু বিক্রি করে নতুন একটা গোয়াল ঘর তুলবেন। কিন্তু তিনি হতাশ।

রফিজ আলী বলেন, এত দিন গরু লালন-পালন করে ভালো দাম পাচ্ছি না। ব্যাপারি আসে না। যাও আসে ভালো দাম বলে না। অথচ গরুর খাবারের দাম বেড়েই চলেছে। সব খাবার গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। বর্তমানে দিনে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার খাবার লাগছে।

দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন রসুলগঞ্জ বাজারের খামারি শহীদুল ইসলামও। তিনি বলেন, গত বছর পাঁচটি গরু প্রস্তুত করে কোরবানিতে এক লাখ টাকা ক্ষতিতে বিক্রি করেছি। ভেবেছিলাম এবার ক্ষতি পুষিযে নেবো। তাই পাচটি গরু পালন করছিলাম। অভাবের কারণে দুইটি গরু কেনা দামে বিক্রি করে দিয়েছি।

উপজেলা সৈয়দপুর গ্রামের বিক্রেতা সাদিক মিয়া  বলেন, দুইটি গরু বাজারে নিয়ে এসেছি একটি বিক্রি করেছি ভাল দাম নেই আরেকটি নিয়ে যাব। ব্যাপারিরা যা দাম বলছে তাতে খরচও উঠবে না। মানুষের হাতের অবস্থাও ভালো না। নিশ্চিত লোকসানে গরু বিক্রি করতে হবে।

রসুলগঞ্জ বাজারের ইজারাদার মো. মকছু মিয়া বলেন, গরুর খাবারের দাম বেড়েছে এটা ঠিক। এবার ব্যাপারিদের আগমন নেই বললেই চলে। আশা করছি খামারিরা ভালো দামেই পশু বিক্রি করতে পারবে
এখন গরুর দাম নেই বলে চলে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.