ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি | ০১ জানুয়ারী, ২০২৩
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে এখন গুম-খুনের রাজনীতিতে মেতে উঠেছে। তাদের হীন ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা সিলেট জেলা বিএনপি নেতা আ ফ ম কামালকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, হত্যা-নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা যাবে না। অবিলম্বে কামালের সকল খুনিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় সিলেটবাসীকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফম কামালের খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের অংশ হিসেবে রোববার (১ জানুয়ারি) বিকালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদানে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী, সহ সভাপতি রেজাউল করিম রায়হান, ফখরুল ইসলাম পাপ্লু, খায়রুল হক ছুটন, সাজু আহমদ খান, জহিরুল ইসলাম তানিম, রুহুল আমিন, রাশেদুল হাসান চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম খান, শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, জয়ফুর রহমান পারভেজ, তুহিন আহমদ চৌধুরী, হুসাইন আহমদ রুপন,আইয়ুব আলী, শেখ ওয়েছ আহমদ মিঠু, সামাদ আলি, ফয়সাল আহমদ, মেহেদী হাসান রফি, রাহিবুল হাসান চৌধুরী সুজন, হাফিজুল করিম সায়মন, কমল হাসান বাবর, দাহিরুল করিম রানা, সাহিন আহমদ, রুহেল চৌধুরী, জামাল আহমদ, জুবেল আহমদ, রাকিব আহমেদ ও জুমুর প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত বছরের ৬ নভেম্বর সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফম কামালকে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। আজ পর্যন্ত হত্যার প্রধান আসামি সম্রাট সহ অধিকাংশ আসামি গ্রেফতার হননি। এজন্য আফম কামালের পরিবার সহ আমরা যারা তার রাজনৈতিক সহকর্মী সবাই হতাশ। সমাজ যদি একজন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করে হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় তা রাষ্ট্র, দেশ ও সমাজের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার আদালতে বিচারকার্য সম্পাদনের আদেশদানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানান বিএনপি নেতাকর্মীরা। প্রতিবাদ সভা শেষে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা শারমিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।