নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫
সিলেট বিভাগের ১৬টি পৌরসভায় বড় কোন গোলযোগের ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
তবে হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে কিছু বিছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। হবিগঞ্জে ৮টি কেন্দ্র সাময়িক স্থগিত করার পর ফের চালু করা হয়। সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের গণমাধ্যম কর্মীদের লাঞ্চিত করার খবর পাওয়া যায় দুপুরে।
গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় সকাল থেকেই উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। পৌষের শীত উপেক্ষা করে সব শ্রেণীর নারী-পুরুষরা লাইন ধরে ভোট প্রদান করেন। ভোট প্রদানকালে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জাকারিয়া পাপলু ভোট গ্রহণের গতি শ্লথ বলে অভিযোগ করেন।
বিএনপি প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া শাহীন অভিযোগ করে বলেন- বাড়াবাড়ি রকমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় তিনি শঙ্কিত। তিনি বলেন উপজেলা পরিষদে ভোত গণনা হবে এমন গুঞ্জন শুনছি, আমি আমার এজেন্টদের বলে দিয়েছে গণনা শেষ না করে যেন কেউ কেন্দ্র ত্যাগ না করে।
আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সিরাজুল জব্বার ভোট গ্রহণের গতি শ্লথ থাকার অভিযোগ করলেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য সন্তোষ জানান।
এদিকে কানাইঘাটেও বড় কোন গোলযোগ ছাড়াই দিনভর ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে দুপুরের দিকে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মেয়র প্রার্থী মোঃ. নিজাম উদ্দিন আল মিজানের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়র লুৎফুর রহমান।
এছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জকিগঞ্জে ভোটগ্রহণ শেষ হবার খবর পাওয়া গেছে।
বিকেল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষে সবগুলো কেন্দ্রে এখন চলছে গণনা।
সিলেট বিভাগের সিলেট জেলায় ৩ টি, সুনামগঞ্জে ৪টি, মৌলভীবাজারে ৪টি এবং হবিগঞ্জের ৫টি পৌরসভায় এবার পৌর নির্বাচন সম্পন্ন হচ্ছে।