এস আলম সুমন, কুলাউড়া | ০৭ জানুয়ারী, ২০১৬
কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১৭টি পদের মধ্যে ১২টি পদই শূন্য। ফলে অফিসের দাপ্তরিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জনবল সংকট ও পর্যাপ্ত পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় নিয়মিত বিদ্যালয়গুলোতে তদারকিতেও বিঘ্ন ঘটছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে অফিসের ১৭টি পদের মধ্যে ১২টি পদই শূন্য রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা থাকলেও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার ৯টি পদের মধ্যে দুইজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দায়িত্বে আছেন। বাকি ৭টি পদ শূন্য। উচ্চমান সহকারীর একমাত্র পদটিও শূন্য। অফিস সহকারী ৪টি পদের মধ্যে ১ জন কর্মরত রয়েছেন। এমএলএসএস পদটিও শূন্য।
সরেজমিনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা যায়, টাইম স্কেল, ইনক্রিমেন্টসহ বিভিন্ন ফাইল জমা পড়ে আছে। কর্মকর্তারা যথাসময়ে অফিসের কার্যক্রম শেষ করে বিদ্যালয়গুলো তদারকি করতে পারছেন না। বিশেষ করে পরিবহন সমস্যার কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকির অভাবে ওইসব বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়াও অনেক কর্মকর্তা চাকুরির জন্য এখানে যোগদান করে পরবর্তীতে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যাচ্ছেন।
অফিস সহকারি মো. আবু বক্কর জানান, এমএলএসএস (পিয়ন) না থাকায় একাই তিনি অফিসের কার্যক্রম ও পিয়নের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় তাকে।
এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শরিফ উল ইসলাম বলেন, সীমিত লোকবল নিয়েও কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পদে নিয়োগ দেয়া হলেও নিয়োগপ্রাপ্তরা পরে বদলী হয়ে চলে যান। শূন্য পদে লোকবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।