নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ জুন, ২০২৩
২৪ ঘন্টার মধ্যেই কোরবানীর পশুর হাট ও কোরবানীর পশু জবাইয়ের বর্জ্য অপসারণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলো সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। তবে নির্ধারিত সময় পেরোবার আগেই বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে বলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে সকঅল থেকে চলমান বৃষ্টির কারণে অনেকস্থানে কোরবানির বর্জ্য ও রক্ত আশপাশের স্থানে ছড়ানো ও ড্রেনে পরার অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিটি করপোরেশনের গণসংযোগ শাখা থেকে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোরবানীর পশুর হাট ও কোরবানীর পশু জবাইয়ের বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত সময়ের আগের অর্জিত হয়েছে। নগরবাসির সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়েছে জানিয়েছেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে নগরের স্থায়ী অস্থায়ী কোরবানীর পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু করে সিসিক। সন্ধ্যার মধ্যেই লক্ষমাত্রা অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতা কাজ শেষ হয়েছে। এবার ঈদে নগর পরিচ্ছন্নতায় ১০টি টিম সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করে।
গেল বছরের মতো এবারও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নগর পরিচ্ছন্ন করতে ৩ স্থরে স্থায়ী ও অস্থায়ী ৩২০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করেন। মহানগরের ৪২ ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা কাজ ও বর্জ্য অপসারণের পরপর জীবানুমুক্তকরণে ছিটানো হয় জীবাণুনাশক ওষুধও।
নগর পরিচ্ছন্নতার কাজে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমান খান, সিসিকের সম্পত্তি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেব, নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক, সহকারী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করেন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ছিলো পবিত্র ঈদুল আযহা। দিবসটি উপলক্ষ্যে সাধ্যমত পশু কোরবানি দেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা।