Sylhet Today 24 PRINT

চত্বর থেকে সাবেক চেয়ারম্যানের নাম বাদ, পরিবেশ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

জুড়ী প্রতিনিধি |  ১২ জুলাই, ২০২৩

জুড়ী উপজেলার নাইট চৌমুহনী চত্বরকে মুক্তিযোদ্ধা এম এ মুমিত আসুক চত্বর ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করার পরও সড়ক ও জনপথের  উদ্বোধনী ফলকে নাইট চৌমুহনী চত্বর লেখা হয়েছে। এনিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অনেকে। মঙ্গলবার এই ফলক উম্মোচন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন। মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

জানা যায়, মঙ্গলবার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মুমিত আসুক চত্বর থেকে ক্লাব রোড পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে  ১১২০  মিটার রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন। রাস্তাটি  সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের আওতাধীন। উদ্বোধনী ফলকের স্মম্ভে লেখা রয়েছে- জুড়ী নাইট চৌমুহনী। মন্ত্রীর সরকারি  শিডিউলেও নাইট চৌমুহনী লেখা।

২০১৮ সালের ২৮ জুলাই নাইট চৌমুহনীকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মুমিত আসুক চত্বর ঘোষণা করে গেজেট করে সড়ক পরিবহন ও সেতু  মন্ত্রনালয়।

নেতাকর্মীদর কয়েকজন জা্নান, গ্রুপিং রাজনীতির কারনে এম এ মুমিত আসুকের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময়ে জুড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন  এম এ মুমিত আসুক। জুড়ীতে আওয়ামী লীগের তখন গ্রুপিং তখন তুঙ্গে ছিল। তখন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবস্থান ছিল এম এ মুমিত আসুকের। ২০১৩ সালে তিনি মারা গেলে তার গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে ফাটল দেখা দেয়।

সাগরনাল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সানাউল ইসলাম চৌধুরী শাওন এ ব্যাপারে ফেসবুকে লিখেন, জুড়ী নাইট চৌমুহনী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মুমীত আসুক চত্বর, মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমের গেজেট, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্বাচনী এলাকায় আগমনের স্থান সবকিছু যেন উলটপালট। কি হচ্ছে??? কেন হচ্ছে??? আমি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মুমীত আসুক চত্বর নামটি পরিবর্তনের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কিশোর রায় চৌধুরী মনি বলেন, আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে এ ধরনের কাজের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। স্মারক ফলক থেকে বাদ দিলে ও মানুষের মন থেকে আসুক চেয়ারম্যানের নাম মূছে ফেলা যাবে না।

প্রয়াত এম এ মুমিত আসুকের স্ত্রী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি গোলশান আরা মিলি বলেন, এটি অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ। তারা যদি লেখাটি সংশোধন না করে তাহলে আমি প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিচার চাইবো।

সড়ক ও জনপথ মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে আসছে সে অনুযায়ী লেখা হয়েছে। পুরো চত্বরের কাজ হয়নি যে নাম বদলানো হবে, শুধু একটি রাস্তার অংশ থেকে কাজ হয়েছে। আমি মন্ত্রনালয়ের অর্ডার বদলাতে পারি না।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.