তাহিরপুর প্রতিনিধি | ০৩ আগস্ট, ২০২৩
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদী দিয়ে পাথর আনতে গিয়ে ও রাঙ্গামাটিয়া হাওরে নৌকা ডুবে দু'জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন-উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সাহিদাবাদ গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে শ্রমিক আবুল হোসেন(৩৫) ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের মৃত পরমেশ্বর বর্মনের ছেলে নিতিন্দ্র বর্মন (৫৫)।
যাদুকাটা নদীতে ডুবে যাওয়া বারকী নৌকায় থাকা শ্রমিক আজিজুল ইসলাম জানান, বৃৃহস্পতিবার(৩ আগস্ট)ভোরে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের যাদুকাটা নদী ভোরে ভারতের গুমাঘাট এলাকা থেকে আবুল হোসেনসহ ৩জন পাথর শ্রমিক একটি বারকী নৌকায় পাথর বোঝাই করে লাউড়েরগড় এলাকায় আসার সময় প্রবল বাতাসের সঙ্গে খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। একপর্যায়ে বারকি নৌকাটি ডুবে গেলে আমরা দুইজন সাঁতরে তীরে উঠলেও আবুল হাসেম পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি বলছে, বাংলাদেশের অংশে যেখানে সবাই কাজ করে,সেখানেই পাথর বোঝাই এক বারকি নৌকায় তিনজন শ্রমিক ছিল। এ সময় নৌকাটি পানিতে ডুবে গেলে তাদের মধ্যে সাঁতার না জানার কারণে এক শ্রমিক পানিতে ডুবে মারা যান।
লাইড়েরগড় বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়ক সুবেদার খন্দকার রায়হান এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে বাংলাদেশ অংশের ৪’শ গজ অভ্যন্তরে বাংলাদেশ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ভারতের ভিতরে থেকে পাথর আনতে গিয়ে নয়।
অপরদিকে, উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া হাওর থেকে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের মৃত পরমেশ্বর বর্মনের ছেলে নিতিন্দ্র বর্মন (৫৫)এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার(০২আগষ্ট)রাতে ইন্দ্রপুর গ্রামের সামনে রাঙ্গামাটিয়া হাওর দিয়ে ছোট নৌকা যোগে মাটি নিয়ে আসার সময় নৌকা ডুবে নিখোঁজ হয় নিতিন্দ্র বর্মন (৫৫)। পরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ন'য়টায় লাশ হাওরের পানিতে ভেসে উঠে।
এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।