শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি | ২১ অক্টোবর, ২০২৩
কবিতায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য পাকনেত্র আন্তর্জাতিক সাহিত্য পরিষদের কাব্যরত্ন পুরষ্কার পেয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিকুঞ্জ সূত্রধর। নিকুঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শত্রুমর্দন সূত্রধরপাড়া গ্রামের নিখিল সূত্রধরের ছেলে। পেশায় তিনি একজন নকশা শিল্পী। কাঠের উপর খোদাই করে নকশা তৈরি করাই হচ্ছে তার মূল পেশা। পাশাপাশি নিয়মিত কবিতা চর্চা করেন তিনি।
গত শুক্রবার (২০ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার ফার্ম ফার্মগেট, খামার বাড়ি গিয়াস উদ্দিন মিল্কি অডিটোরিয়ামে পাকনেত্র আন্তর্জাতিক সাহিত্য পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে নিকুঞ্জ সূত্রধরের হাতে কাব্যরত্ন পুরষ্কার পাওয়ায় সম্মাননা স্মারক তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সভাপতিত্ব করেন কবি ও সংগঠক আলমগীর জুয়েল। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাব্বির আহমেদ, কে ই এম তালুকদার তোফায়েল ও ইলোরা সোমার যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব, অভিনেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিউমেন এইড ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব সেহেলি পারভীন, বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সংগঠক মোসলেহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সংগঠক রুবী শামসুন নাহার, ফারুক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, ড. মুহাম্মাদ জাকির হোসেন বিপ্লব, মো. বেল্লাল হাওলাদার, ড. আলহাজ্ব শরীফ সাকী, মো. আমজাদ খান সহ আরও অনেকেই।
নিকুঞ্জ সূত্রধর বলেন, পুরষ্কার মানুষের কাজ করার গতি বৃদ্ধি করে। যে পুরষ্কার আমি পেয়েছি নিঃসন্দেহে তা আমার কাজের গতি বাড়াবে। নিজের জায়গা থেকে আরও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করবো। কবিতা আমাকে প্রেরণা দেয়, দেহ মনে আনন্দ যোগায়। কবি গুরু, নজরুল ও জীবনানন্দের কাছ থেকে প্রেরণা পাই। এখনো শিখছি, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শিখতে চাই। সকলের আশীর্বাদ প্রত্যাশী।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালেও কবিতায় অবদানের জন্য পাকনেত্র রৌপ্য পদক পেয়েছিলেন নিকুঞ্জ সূত্রধর।