নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১ জানুয়ারী, ২০১৬
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ইতিহাসকে কেউ ইচ্ছা করলেই চাপা রাখতে পারে না। প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যপুস্তক হাতে পায়। ছেলে ও মেয়েদেরকে শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা সমান করে ফেলেছি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সিলেট আগে ছিলো 'বাইরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট'। আওয়ামীলীগ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সময় সিলেট শিক্ষার ক্ষেত্রে পেছনে ছিল। এই অবস্থা থেকে সিলেট উন্নীত হয়েছে।
আমরা দায়িত্ব গ্রহণের সময়ে প্রতি বছর মাত্র ২ জন জিপিএ-৫ পেত এখন ২ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়। সিলেটে ২টি পাবলিক ও ৪টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হাসিনাকে ভোট দিলে দেশে মাদ্রাসা থাকবে না যারা বলেছিলেন তাদের উদ্দেশ্য নাহিদ বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ১৩০০ মাদ্রাসা বানিয়েছি। ৩৫টি মডেল মাদ্রাসা করেছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাদ্রাসা শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন এসেছে।
এখন মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি, এইচএসসির ফলাফল ঘোষণা করা হয় উল্লেখ করি তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষা ব্যবস্থার এই পরিবর্তন এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বলা হয়েছিল বাংলাদেশকে দারিদ্র্যের মডেল হিসেবে মিউজিয়ামে রাখা হবে। অথচ ২০৪১ সালে বাংলাদেশ ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হবে, এটা কিভাবে সম্ভব হলো এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে সিলেটের সন্তান উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী প্রতিবছরের মত এবারও সকল শিক্ষার্থী বই পেয়েছে কিনা প্রশ্ন করেন জনসমাবেশে উপস্থিত জনতার কাছে।