ডেস্ক রিপোর্ট | ২৫ জানুয়ারী, ২০১৬
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের উপপরিচালক তাহমিনা খাতুন বলেছেন, পঠন দক্ষতা ফলাফল উপস্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অবস্থান জানা যায়। এখানে নিজেকে জানার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষকদের প্রমিত উচ্চারনে, মান ভাষায় ধরণ অনুসারে পাঠদান সম্পন্ন হলে শিশুরা প্রকৃত যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে। শিশুদের ভেতরে যে প্রতিভা আছে তা বিকশিত করতে হলে আন্তরিকতার সাথে তাদেরকে শেখাতে হবে। আমরা যদি শিশুদের পরিপূর্ণ শিক্ষা দান করি তাহলে দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে।
সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ইউএসএআইডি এর অর্থায়নে, সেভ দ্য চিলড্রেনের কারিগরি সহায়তায় এফআইভিডিবি-রিড প্রকল্পের উদ্যোগে সিলেট নগরীর একটি হোটেলের কনফারেন্স হলে সিলেট বিভাগের ৩টি জেলার ৭টি উপজেলার ‘রিড’ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ২৬৩ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘পঠন দক্ষতা ফলাফল শেয়ারিং বিষয়ক কর্মশালায়’ প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এফআইভিডিবি’র সহযোগি পরিচালক সমিক সহিদ জাহানের সভাপতিত্বে ও ‘রিড’ প্রজেক্টের সমন্বয়ক দেবশীষ দত্ত প্রবালের পরিচালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম, হবিগঞ্জের পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. নজরুল ইসলাম, সিলেটের পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট সামীম আরা বেগম, সুনামগঞ্জের পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট বিপ্লব চন্দ্র দাস, স্বাগত বক্তব্য রাখেন ‘রিড’ প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট পার্সন জিয়াউর রহমান সিপার।
পঠন দক্ষতা যাচাই ফলাফল উপস্থাপন করেন শরীফুল আলম ভুইয়া ও নুরুল ইসলাম রাসেল।
শিশুদের রিডিং দক্ষতা বিষয়ক এই কর্মশালায় উপস্থিত থেকে মতামত শেয়ার করেন সিলেট বিভাগের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলার পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ ৭টি উপজেলার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর এবং এফআইভিডিবি-রিড প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়ার ৫টি উপাদানের মাধ্যমে প্রমিত ও শুদ্ধ উচ্চারণে মাতৃভাষা শিক্ষা এবং মান অনুযায়ী শিক্ষণ-শিখনে এফআইভিডিবি ‘রিড’ প্রকল্পের এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবী রাখে।