নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ আগস্ট, ২০২৪
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার মরদেহ সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন দিয়ে বাংলাদেশে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।
শনিবার দুপুরে তার মরদেহ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও ভারতীয় বিএসএফ এবং মেঘালয় রাজ্যের ওয়েস্ট জৈন্তিয়া হিলস জেলার ডাউকি থানা-পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিজিবি-বিএসএফ এবং পুলিশের উপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিধি মোতাবেক মৃতদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে’
এরআগে, স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইসহাকের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠাতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ শেষে শনিবার ইসহাকের মরদেহ তামাবিল বর্ডার দিয়ে হস্তান্তর করা হয়। মরদেহ হস্তান্তরের সময় নিহত ইসহাকের ভাতিজা মো. কামরুজ্জামান খাঁন নাবিল উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৪ আগস্ট রাতে কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ইসহাক আলী খান পান্না প্রাণ হারান বলে ধারণা করা হয়। তিনি পাহাড় থেকে পড়ে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান বলে জানা যায়। ২৬ আগস্ট ভারতের অভ্যন্তরে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে উমকিয়াং থানা-পুলিশ।
তবে ভারতের গণমাধ্যম বলছে অন্য কথা। এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে মেঘালয় পুলিশের বরাত দিয়ে বলেছে, গত ২৬ আগস্ট পূর্ব জৈন্তার পাহাড়ি গ্রাম ভোই থেকে পান্নার পচা অর্ধ-গলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই গ্রামটি ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পান্নার মরদেহের সঙ্গে বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। রাজ্য পুলিশের বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, পান্নার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।