গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: | ০৮ মার্চ, ২০২৫
সিলেটের গোয়াইনঘাটে পুলিশের লাঠিচার্জে দু'জন মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা দুজনই পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা।
আহত দুজন হলেন- উপজেলার ১২নং সদর ইউনিয়নের আলীর গ্রামের দিনমজুর ফয়জুল হকের ছেলে আল আমিন (২৩) ও ৪নং লেংগুড়া ইউনিয়নের সতী গ্রামের ছালিক আহমদের ছেলে এস এম রামিম আহমদ (২৪)।
জানা যায়, ৬ মার্চ রাত অনুমান ১ ঘটিকার সময় গোয়াইনঘাট সবজি বাজার হতে মোটর সাইকেল যোগে বাড়িতে যাওয়ার পথে বাইপাস সংলগ্ন দুটি ব্রিজের মধ্যবর্তী স্থানে আসলে চলন্ত অবস্থায় কোন কিছু জিজ্ঞেস না করেই তাদেরকে পুলিশ মারপিট শুরু করে। আল আমিনের মাথায় পুলিশের লোহার পাইপের আঘাতে মাথা ফেটে যায় ও শরীরের বিভিন্ন যায়গায় গুরুতর জখম হয়।
অপরদিকে ড্রাইভিংয়ে থাকা রামিম আহমদও পুলিশের লাঠির আঘাতে গুরুতর জখম হয়। আল আমিনের মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে, তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অপরদিকে রামিম আহমদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে আছেন।
গোয়াইনঘাট থানারভোরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার তোফায়েল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাই বাইপাস পয়েন্টে কে বা কারা ছিনতাই করছে। তাৎক্ষনিক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে একদল লোক রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ করে। এসময় ঘটনাস্থলে থেকে একজনকে আটক করি। একসময়ে ওই স্থানে হঠাৎ দুজন মোটর সাইকেল আরোহী যাওয়ার পথে সন্দেহবশতঃ তাদের উপর অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। যার ফলে তারা দুজনই গুরুতর আহত হন।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় এএসআই হাফিজ আহমদও আহত রয়েছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ কনছি।
ওসি বলেন, আমি তাদের সার্বিক সহযোগিতাসহ চিকিৎসা খরচ চালিয়ে যাবো এবং প্রতিনিয়ত তাদের খোঁজ খবর নিচ্ছি। তিনি আরো বলেন, অতি দ্রুতই পুলিশের উপর আক্রমণকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব এবং আইনী বিষয় প্রক্রিয়াধীন আছে।