বিশ্বনাথ প্রতিনিধি | ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
সিলেটের বিশ্বনাথ নতুন বাজারের মাদানিয়া মাদ্রাসার ছাত্র সালমান হত্যার রহস্য দীর্ঘ এক মাসেও উদঘাটন হয়নি। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শিক্ষক কর্তৃক ছাত্র বলাৎকার এবং ব্যাংকের পৃথক দুটি ভিডিও চিত্র উদ্ধার করে পুলিশ। অধ্যক্ষের সৎ-ছোটভাই ও নিহতের সহপাঠি নাইম আহমদের বাসা থেকে রক্তমাখা সোফা ও নিহত সালমানের জুতাও উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শিব্বির আহমদ, সহকারী অধ্যক্ষ মাওলানা বশির আহমদসহ মোট ৭জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এ মামলাটি অবশেষে সিলেটের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা’র (পিপিএম) নির্দেশে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাদানিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যক্ষ মাওলানা বশির আহমদ ও অধ্যক্ষের গাড়ি চালক আব্দুল কাইয়ুমকে ২দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সাবেক মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার ওসি (তদন্ত) মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন।
এপ্রসঙ্গে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এসএম আল-মামুন রিমান্ডের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মাওলানা বশির আহমদসহ দু’জনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ২দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। এছাড়া মামলার তদন্তকাজ এগিয়ে চলছে বলেও তিনি জানান।
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বুধবার সকালে নতুন বাজারের একটি বাসার সামন থেকে সালমান আহমদের (১৭) লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। সালমান বিশ্বনাথ নতুন বাজারের জামায়ে ইসলামিয় দারুল উলুম মাদানিয়া (কওমি) মাদ্রাসার (জালালাইন) ১ম বর্ষের ছাত্র। সে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগাঁও গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী ছোটন মিয়ার ছেলে। ঘটনার পরদিন ৩১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমানের মা মোছা: কুতুবী বেগম, (মামালা নং ২০)।