Sylhet Today 24 PRINT

সেই রেস্তোরাঁটি বন্ধ, বাকী আসামিরা এখনও পলাতক

চা দিতে দেরি হওয়ায় কর্মচারীকে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ১৪ জুলাই, ২০২৫

কাজির বাজার এলাকার এই রেস্তোরাঁই রোববার ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় এখানকার কর্মচারী রুমনকে। সোমবার রেস্তোরাঁটি বন্ধ পাওয়া যায়। ছবি: নিজস্ব আলোকচিত্রী

সিলেট নগরের কাজিরবাজারে চা দিতে দেরি হওয়ায় রেস্তোরাঁর কর্মচারীকে হত্যার ঘটনায় আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় ৫ জনের নামে মামলা হলেও সোমবার দুপুর পর্যন্ত কেবল একজনকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বাকীরা পলাতক রয়েছেন।

এদেকে, রোববার সকালের ওই ঘটনার পর থেকে রেস্তোরাঁটি বন্ধ রয়েছে। সোমবার দুপুরে কাজির বাজার মাছের আড়তের পাশে ওই রেস্তোরাঁয় গিয়ে দেখে যায়, এটির সাটার বন্ধ রয়েছে। এই রেস্তোরাঁর মালিক  নিরঞ্জন ঘোষকেও আশপাশে দেখা যায়নি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোববার দুপুরে থেকেই রেস্তোরাঁটি বন্ধ রয়েছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে কাজির বাজার এলাকার এই রেস্তোরাঁতেই চা দিতে দেরি হওয়ায় বাকবিতন্ডার জেরে এখানকার কর্মচারী দিনার আহমেদ রুমনকে (২২) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

 এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই রেজু আহমদ বাদী আব্বাস আহমদসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে কতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। রোববারই প্রধান অভিযুক্ত আব্বাসকে কাজির বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে বাকী আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।

সব আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে সোমবার দুপুরে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

রুমন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জালালপুরের সব্দলপুর গ্রামের মৃত তখলিছ আলীর ছেলে। নিহতের ভাই রেজু আহমদ জানান, রুমন প্রায় আড়াই বছর ধরে কাজির বাজার এলাকার নিরঞ্জন ঘোষের রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন। তিনি বলেন, আমি ভাইকে হত্যার বিচার চাই।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে সিলেট নগরের কাজির বাজার মাছের আড়ত–সংলগ্ন এলাকায় ওই রেস্তোরাঁয় আব্বাস আহমদ চা পান করতে আসেন। চা দিতে দেরি হওয়ায় রেস্তোরাঁর কর্মচারী রুমনেরর সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রেস্তোরাঁর মালিক ও লোকজন দুজনের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে দেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে ওই যুবক রেস্তোরাঁ থেকে চলে যান। কিছু সময় পর আব্বাস তার ছেলেদেরসহ আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রেস্তোরাঁয় যান। এ সময় রেস্তোরাঁর ভেতর রুমনকে ছুরিকাঘাত করে তারা পালিয়ে যান। পরে রেস্তোরাঁর মালিক নিরঞ্জন ঘোষসহ লোকজন রুমনকে উদ্ধার করে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.