সিলেটটুডে ডেস্ক | ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের বীরগাঁওয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়ের আহমদ ও তার ভাই যুবদল নেতা জাহিনসহ গুরুতর ৩ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে আহতদের পরিবার।
গত বুধবার(২৮ জানুয়ারি) মারামারির এ ঘটনায় তিনদিন ধরে আহতরা সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বলে জানিয়েছেন আহতের স্বজনরা।
জানা যায়, গত বুধবার বীরগাঁও গ্রামের কৃষ্ণতলা মাঠে মাহিন নামের এক কিশোরকে মারধোর করেন স্থানীয় বাজারের বিকাশ ব্যবসায়ী নাহিদ আহমদ ও তার বাবা সইফুর রহমান। এই ঘটনায় কিশোর মাহিনের স্বজনরা সন্ধ্যায় স্থানীয় পশ্চিমপাড়া বাজারে নাহিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জিজ্ঞাসা করতে গেলে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এসময় বিকাশ ব্যবসায়ী নাহিদ ও তার লোকজন উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করলে স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়ের আহমদ, তার ভাই ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহিন আহমদ, মুদি দোকানি তাহসিন ও দিহান নামের এক কিশোরাসহ ৪জন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে নিয়ে গেলে ধারালো ছুরিকাঘাতে যুবদলনেতা জাহিন, কিশোর তাহসিনের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যাওয়ায় সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনজনকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
আহতদের পরিবার জানিয়েছে, যুবদল নেতা জাহিনসহ ৩ জনের শরীরের অস্ত্রপাচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখনো তারা শঙ্কামুক্ত নন- বলে জানিয়েছেন আহতদের স্বজন দুলাল আহমদ। এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন দুলাল।
এদিকে ঘটনাস্থলে তল্লাসী চালিয়ে বিদেশী একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। আলোচিত এই ঘটনায় ব্যবসায়ী নাহিদসহ ৪ জনকে আসামি করে শান্তিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শান্তিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকাতা ওলিউল্লাহ জানিয়েছেন ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।