Sylhet Today 24 PRINT

ফেসবুকে প্রেম, সুনামগঞ্জে গিয়ে ধর্ষিত সিলেটের তরুণী

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি |  ০৬ মার্চ, ২০২৬

ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক যুবক। পরে দেখা করতে এসে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বাঁধনপাড়া এলাকার সোহেল মিয়া (৩০), বড়পাড়া এলাকার মাসুম মিয়া (২৫) ও গণিপুর এলাকার মোহাম্মদ এরশাদ (৩৪)। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। ভৈরব নামের সুনামগঞ্জের এক যুবকের সঙ্গে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করতে সুনামগঞ্জে যায় ওই কিশোরী। দেখা হওয়ার পর উভয়ের ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে সম্পর্কটি আর না এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয় দুজন।

এরপর তাৎক্ষণিকভাবে ওই কিশোরীকে বন্ধু সোহেল মিয়ার বাসায় রাখেন ভৈরব। সেখানে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন সোহেল। একপর্যায়ে গত রোববার ওই কিশোরীকে বাসা থেকে চলে যেতে বলেন সোহেলের মা। এরপর ওই কিশোরীকে সিলেটে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দুই বন্ধু এরশাদ ও মাসুমকে দায়িত্ব দেন সোহেল।

এজাহারে বলা হয়েছে, ওই কিশোরীকে সিলেটে না নিয়ে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান মাসুম ও এরশাদ। একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভেতরে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তাঁরা। পরে কান্নাকাটি শুরু করলে ওই কিশোরীকে বিশ্বম্ভরপুর শহরের ওয়েজখালী এলাকার একটি বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে ওই বাসার মালিক বিষয়টি সোহেলকে জানান। তিনি ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় ওই কিশোরী বাদী হয়ে থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.