Sylhet Today 24 PRINT

ওসমানীনগরের পল্লীতে বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন, আত্মসাৎ\'র অভিযোগ

শেখ ফয়ছল আহমদ, ওসমানীনগর থেকে |  ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

ওসমানীনগর উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের হাজিপুর জিয়াপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রেন্টি, বেলজিয়াম সহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় কয়েকটি গাছ কর্তৃপক্ষের যথাযথ অনুমতি ছাড়া বিক্রি করার গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রাণী বেগম এ গাছ গুলো বিক্রি করেন।

গাছ বিক্রি বাবদ টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যবহার না করে তিনি প্রধান শিক্ষিকা এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে।

অভিযোগে প্রকাশ জানা যায়, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকা রানী বেগম ২০১৩ সালেও বিদ্যালয়ের গাছ ও গাছের ডাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে বিক্রি করেন। এ ব্যাপারে তৎকালীন সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে অভিযোগ দিলেও রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, 'গাছ বিক্রী করা হছে এটা প্রকাশ্য দিবালোকের মত সত্য, কেননা এখনও গাছে মূল বিদ্যমান রয়েছে ভূমিতে। তাছাড়া স্থানীয় বাজারের একজন ব্যাবসায়ীর কাছে গাছের শাখা প্রশাকা বিক্রি করা হয়ছে।' এলাকার লোকজন ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাছেন না। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিভিন্ন ভাবে মুখবন্ধ করায় অপচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।

গাছ কর্তনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রানী বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, 'আমি গাছ বিক্রি করিনি, বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটিসহ এলাকার লোকজন বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বিক্রি করেছেন।'

বিদ্যালয়ের সভাপতি পেট্রল খানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, 'এ গাছ গুলো বিদ্যালয়ের নয় পার্শ্ববর্তী প্লটের মালিক আতাউর রহমান বোছন মিয়ার, তিনি এই গাছ গুলো কেটেছেন।'

আতাউর রহমান বোছন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, 'এ বিষয়ে আমি কোন কিছু জানি না। উল্লেখ আতাউর রহমান বোছন বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা পরিবারের একমাত্র সদস্য।'

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, 'গাছ কাটা হয়েছে কি না জানি না, খোঁজ নিয়ে দেখব।'

সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রতন কুমার সরকারের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, 'বিদ্যালয়ের গাছ কাটার কথা শুনেছি তবে স্পটে যাইনি একদিন যাব।'

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.