নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ মে, ২০২৬
সিলেটে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র্যাব-৯ সদস্য ইমন আচার্য নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
নিহত ইমন আচার্যের ভাই সুজিত আচার্য বাদী হয়ে সিলেট কতোয়ালি থানায় এই মামলা দায়ের করেছেন। মামলার একমাত্র আসামি করা হয়েছে ঘটনার পর গ্রেপ্তার হওয়া আসাদুল আলম বাপ্পি (২২) কে। বাপ্পি নগরের কাজিরবাজার এলাকার বাসিন্দা।
শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির।
এদিকে, শনিবার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মরদেহ নিয়ে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা দেন ইমনের স্বজনরা।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে নগরের কিন ব্রিজ এলাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২৩ মে) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরে নিহতের স্বজনরা মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন বলে জানিয়েছেন র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
র্যাব-৯ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিন ব্রিজ এলাকায় মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের ধাওয়া চলাকালে সাদা পোশাকে থাকা র্যাব সদস্য ইমন আচার্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে এগিয়ে গেলে আসাদুল আলম বাপ্পিকে আটক করার চেষ্টা করেন। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বাপ্পি ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমনের বুকের বাম পাশে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই বাপ্পিকে আটক করে পুলিশ এবং তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি এলাকায় ঢুকে এক শিশুকে জিম্মি করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।