নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ জুলাই, ২০২৬
গত ফেব্রুয়ারিতে সিলেট জেলার ‘শ্রেষ্ঠ’ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খান। অথচ এর চারমাসের মাথায় শফিকুলকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক স্বাক্ষরিত এক আদেশে কোম্পানীগঞ্জের ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়।
শফিকুলের প্রত্যাহারের পরই আলোচনা চলছে, চার মাসে আগে জেলায় শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার পাওয়া ওসিকে কেন হঠাৎ প্রত্যাহার করতে হলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে উপজেলার চোরাকারবারি ও পাথর কোয়ারি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারীদের সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে তিনি এসব কাজে সহযোগিতা করেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া চাঁদাবাজির সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ওসি শফিকুল ইসলাম খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি সাড়া দেননি। তাই তার বক্তব্য জানা যায়নি।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু ও পাথর সিন্ডিকেটের কাছ থেকে পুলিশের চাঁদা আদায়ের অভিযোগে কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে।
এ ব্যাপারে সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, শফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলামের সংযুক্তিকরণের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে অফিস আদেশে জানানো হয়। এ ছাড়া ওই থানায় এখনো নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।