সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিলেট সদর উপজেলার ৩ নং খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি মানববন্ধনে পরিষদের বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কাল্পনিক বলে প্রত্যাখান করেছে ইউনিয়ন পরিষদ।
সোমবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ বিবৃতিতে খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেন এই অপপ্রচারের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে চেয়ারম্যান দিলোয়ার হোসেন স্পষ্ট করেন, হোল্ডিং ট্যাক্স কোনো ব্যক্তিগত চাঁদা নয়। এটি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন এবং ‘ইউনিয়ন পরিষদ আদর্শ কর তফসিল, ২০১৩’ গেজেটের ৩ নং ধারা অনুযায়ী ধার্যকৃত একটি সম্পূর্ণ আইনি ও সরকারি বিধান। গেজেট অনুযায়ী, পরিষদের এলাকাভুক্ত যেকোনো ইমারত ও ভূমির বার্ষিক মূল্যের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ হারে কর আরোপের সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের রাস্তাঘাট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও সার্বিক জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থেই সরকারি বিধিমালা মেনে এই ট্যাক্স সংগ্রহ করা হয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও চাপ থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল আইনের অপব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, দেশজুড়ে বহু আগে থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় চালু থাকলেও খাদিমনগর ইউনিয়নে ২০২২-২৩ অর্থবছরে এসেসমেন্টের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিষদের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে। খাদিমনগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে কোনো প্রকার বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সাথে যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেন।