নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিলেটে বিদ্যুতে যন্ত্রণা বেড়েই চলেছে। সোমবার টানা একঘন্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিঘন্টায় ঘন্টায় লোডশেডিং হচ্ছে।
যদিও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের দিনের তুলনায় সোমবার সিলেটে লোডশেডিং কিছুটা কমেছে। এছাড়া বন্ধ থাকা কুমারগাও বিদ্যুৎকেন্দ্রও চালু হয়েছে।
সোমবার সিলেট নগরের জিন্দাবাজার, মিরাবাজার ও মির্জাজাঙ্গাল এলাকার তিনজন বাসিন্দা জানান, আজ টানা একঘন্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যায়নি। কিচ্ছুক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এরপর দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।
তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরের বাসিন্দারা। সোমবার সিলেটের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি বছরের রেকর্ড তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গরম আর লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবীরা। শিশু-বয়স্করা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আর ব্যবসায় দেখা দিয়েছে মন্দাভাব।
শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের চিত্র আরও ভয়াবহ। পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা দিনে ৭/৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ছেন।
তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সিলেট অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন সোমবার রাতে সিলেটটুডেকে বলেন, রোববারের তুলনায় সোমবার লোডশেডিং কিছুটা কমেছে। রোববার সন্ধ্যায় সিলেটে ৬০ মেঘাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল। যা সোমবার সন্ধ্যায় ছিল ৪০ মেঘাওয়াটের মতো।
তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় সিলেটে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২৫২ মেঘাওয়াট আর
সরবরাহ মিলেছে ২১২ মেঘাওয়াট।
বন্ধ থাকা কুমারগাও বিদ্যুৎকেন্দ্র সোমবার সন্ধ্যায় চালু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি ৩/৪ দিন বন্ধ ছিল, ফলে সিলেটে লোডশেডিং বেড়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যা ৬টার পরে কুমারগাওয়ের বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছে। এখান থেকে আমরা ১০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ পাই। আশা করি, এখন লোডশেডিং কিছুটা কমবে।