সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
সুনামগঞ্জ শহরের একটি পারিবারিক মন্দির থেকে চুরি যাওয়া দেড়শ বছরের পুরনো তিনটি প্রতিমা ও মূল্যবান পূজা সামগ্রী কিশোরগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
চুরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেগুলো উদ্ধার করে মালিকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ।
এ ঘটনায় একজনকে আটকের কথা জানানো হলেও তার নাম পরিচয় জানায়নি পুলিশ। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
বৃহষ্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ উপজেলা থেকে চুরি যাওয়া মূর্তি ও সোনা. রোপা, কাসার সামগ্রী উদ্ধারের পর থানায় মালিককে ডেকে এনে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
চোররা বাড়ির পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করে মন্দিরের তালা ভেঙে প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো তিনটি প্রতিমা ও পূজার মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া উপকরণগুলোর মধ্যে ২০ কেজি ওজনের ২ ফুট উচ্চতার মদনমোহন ও ১৫ কেজি ওজনের ১ ফুট উচ্চতার রাধা মূর্তি এবং ৭ ইঞ্চি উচ্চতার গণেশ মূর্তি রয়েছে।
এছাড়াও একটি সোনার চেইন, একটি রূপার বাঁশি, তিনটি সোনার চূড়া, পুরোনো কাঁসার বাসন, শীলা, শালগ্রাম শিলাসহ পূজার বিভিন্ন সামগ্রী এবং বাসা সংলগ্ন স্টেশনারি দোকানের নগদ টাকাও চুরি হয়।
ওসি বলেন, খবর পেয়েই তিনি ও পুলিশ ফাঁড়ির এসআই অভিজিৎ ভৌমিক অভিযানে নামেন। পরে গোয়েন্দা সূত্রে খবর সংগ্রহ করে বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার নোয়াবাদ গ্রাম থেকে মূর্তি ও পূজা সামগ্রীগুলো উদ্ধার করা হয়।
পরে রাতেই সেগুলো রাজগোবিন্দ চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ব্যবসায়ী গোবিন্দ চক্রবর্তী বলেন, “পূজা শুরুর আগেই মূর্তি ও উপকরণগুলো পেয়ে আমরা খুবই খুশি। আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞ। পুলিশ ইচ্ছে করলে যে অপরাধীদের খুজে বের করা সম্ভব আবারও প্রমাণিত হল।”
ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ বলেন, পৌর শহরের হাসনগর এলাকার এক সন্দেহভাজন চোরকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ বলেন, বুধবার ভোরে পৌর শহরের বাধনপাড়া এলাকার গোবিন্দ চক্রবর্তীর পারিবারিক মন্দির চুরির ঘটনা ঘটে।
চোররা বাড়ির পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করে মন্দিরের তালা ভেঙে প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো তিনটি প্রতিমা ও পূজার মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া উপকরণগুলোর মধ্যে ২০ কেজি ওজনের ২ ফুট উচ্চতার মদনমোহন ও ১৫ কেজি ওজনের ১ ফুট উচ্চতার রাধা মূর্তি এবং ৭ ইঞ্চি উচ্চতার গণেশ মূর্তি রয়েছে।
এছাড়াও একটি সোনার চেইন, একটি রূপার বাঁশি, তিনটি সোনার চূড়া, পুরোনো কাঁসার বাসন, শীলা, শালগ্রাম শিলাসহ পূজার বিভিন্ন সামগ্রী এবং বাসা সংলগ্ন স্টেশনারি দোকানের নগদ টাকাও চুরি হয়।
ওসি বলেন, খবর পেয়েই তিনি ও পুলিশ ফাঁড়ির এসআই অভিজিৎ ভৌমিক অভিযানে নামেন। পরে গোয়েন্দা সূত্রে খবর সংগ্রহ করে বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার নোয়াবাদ গ্রাম থেকে মূর্তি ও পূজা সামগ্রীগুলো উদ্ধার করা হয়।
পরে রাতেই সেগুলো রাজগোবিন্দ চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ব্যবসায়ী গোবিন্দ চক্রবর্তী বলেন, “পূজা শুরুর আগেই মূর্তি ও উপকরণগুলো পেয়ে আমরা খুবই খুশি। আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞ। পুলিশ ইচ্ছে করলে যে অপরাধীদের খুজে বের করা সম্ভব আবারও প্রমাণিত হল।”
ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ বলেন, পৌর শহরের হাসনগর এলাকার এক সন্দেহভাজন চোরকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।