নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে গুলিতে খালেদ আহমদ নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ভারতের আকুয়া সীমান্ত এলাকা থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।
নিহত খালেদ আহমদ কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে। শনিবার ওসমানী হাসপাতাল মর্গে নিহত খালেদের ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ১০ জনের একটি দলের সঙ্গে দনা সীমান্তের ১৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন মিকিরপাড়া এলাকা দিয়ে ভারতের আকুয়া এলাকায় যান খালেদ। সেখানে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
আহত ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন জানান, ভারতের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ হয়ে খালেদের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্থানীয় বাসিন্দারা ভারতীয়দের সহায়তায় ওপার থেকে খালেদের মরদেহ দেশে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ নিহতের বাড়িতে গেছে।
এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম শনিবার সিলেটটুডেকে বলেন, ওই যুবকের মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। আমরা বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছি। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবারই মরদেহ ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আজ ময়না তদন্ত হবে।
তিনি বলেন, খালেদ কার গুলিতে মারা গেছেন তা এখনও জানা যায়নি। বিজিবিও এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি। তবে স্বজনরা জানিয়েছেন, ভারতের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন খালেদ।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর কানাইঘাট উপজেলার সোনারখেওড় সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহিন আহমদ নামে আরও এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।